ইকবালের কবিতায় মানুষ ও মানবতা

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v42i2.3
Crossmark

Authors

Abstract

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১) ও আল্লামা ইকবাল (১৮৭৭-১৯৩৮) পরাধীন ভারতবর্ষের পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে অবস্থানকারী দুই মনীষী, যাঁরা নিজেদের প্রাজ্ঞ মনীষায় ভারতীয় উপমহাদেশের মর্যাদা ও গৌরব বিশ্বের দরবারে ধরতে সক্ষম হয়েছিলেন। ইকবাল দার্শনিক কবি, জীবনের কবি এবং মানবতার কবি। তাঁর লেখনী উৎসর্গিত হয়েছিল মানবতার উৎকর্ষ সাধনের জন্যে। ইকবাল প্রধানত শক্তির কবি; তিনি সমাজ-সংস্কার স্বাধীনতা অর্জনে শক্তি প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁর কাব্যে। কোথাও কোথাও তাঁর ভাবপ্রবণ মানসিকতার প্রাধান্য পরিলক্ষিত হলেও, বিপ্লবের বাণীও শুনিয়েছিলেন। তাঁর ‘ইনকিলাব' শীর্ষক কবিতাটি তার উপযুক্ত চিন্তাধারার সাক্ষ্য বহন করে। ইকবাল নির্যাতিত, শোষিত, বঞ্চিত, সমাজের মানুষকে মানবতার কথা ও দুঃখ দুর্দশা অতিক্রমের বাণী শুনিয়েছিলেন। ইকবাল ছিলেন চিরন্তনত্বে বিশ্বাসী ও দৃঢ় প্রত্যয়ের কবি। এ বিশ্বলোক, স্রষ্টা, জীবন ও মানুষ সম্পর্কে তাঁর বিশ্বাস ছিল অটল। কবি জীবনের প্রাথমিক পর্যায়ে এতদ্ বিষয়ে তাঁর ধারণা অস্পষ্ট থাকলেও ক্রমশ তা বিকশিত হয়েছে এবং বলিষ্ঠ রূপ ধারণ করেছে । তিনি ছিলেন সংগ্রামী কবি। তাঁর দ্বন্দ্ব সংগ্রাম ছিল সংকীর্ণতা ও সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে। সামগ্রিকভাবে তাঁর সংগ্রাম ছিল পাশ্চাত্যের ধর্মহীন সভ্যতা- সংস্কৃতির, সর্বোপরি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতার বিরুদ্ধে, বস্তুবাদের বিরুদ্ধে। বস্তুত আল্লামা ইকবালের দার্শনিক মত ও দৃষ্টিভঙ্গি এটাই। তাঁর ধারণা, ইসলামি মানবতাবোধই দেশকাল, ধর্ম ও বর্ণের গণ্ডিকে অতিক্রম করে বিশ্বজনীন রূপ লাভ করতে পেরেছে। আর পাশ্চাত্যের আদর্শবোধই মানবকুলের মধ্যে ভিন্নতা, বিচ্ছিন্নতা, হিংসা, বিদ্বেষ ও রক্তপাতের ক্ষেত্র তৈরি করেছে।

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.
cover

Published

1999-02-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

ইকবালের কবিতায় মানুষ ও মানবতা . (1999). সাহিত্য পত্রিকা, 42(2), 46-57. https://doi.org/10.62328/sp.v42i2.3

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%