নজরুলের দেবীস্তুতি
Abstract
কোন কোন ঘটনার অভিঘাত মানুষের জীবনে অকল্পনীয় পরিবর্তন সূচিত করে। আর সে মানুষটি যদি হন কোন কবি বা শিল্পী তা হলে তো আর কথাই থাকে না ; কারণ, কবি বা শিল্পীরা হন সংবেদনশীল, আবেগপ্রবণ। কবি কাজী নজরুল ইসলামের (১৮৯৯-১৯৭৬) শিশুপুত্র অরিন্দম খালেদ ওরফে বুলবুলের (১৯২৬-১৯৩০) মৃত্যুর অভিঘাতে তাঁর জীবনের গতি-প্রকৃতি ভিন্নরূপ পরিগ্রহ করে। শুরু হয় তাঁর জীবনের নতুন অধ্যায়। দ্বিতীয় পুত্র বুলবুলের মৃত্যুর পর থেকে কাজী নজরুল ইসলাম ক্রমাগত অন্তর্মুখী হতে থাকেন। বুলবুল ছিলো সপ্রতিভ, শ্রুতিধর ও সুদর্শন। তার প্রতি ছিল তাঁর অন্তহীন স্নেহ। সে বসন্তে আক্রান্ত হলে তাকে বাঁচানোর জন্য এলোপ্যাথি- হোমিওপ্যাথিসহ ঝাড়-ফুঁক, তন্ত্র-মন্ত্রের আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। কিন্তু সব কিছু ব্যর্থ করে দিয়ে বুলবুল মৃত্যুবরণ করে। বসন্তে আক্রান্ত পুত্র বুলবুলের মৃত্যু শিয়রে বসে তাঁর অনূদিত ‘রুবাইয়াৎ-ই-হাফিজ' (১৯৩০) বুলবুলকে উৎসর্গ করেন। এই উৎসর্গপত্র থেকে বুলবুলের প্রতি তাঁর মনোভাব ও তার মৃত্যু-অভিঘাতে তাঁর মানসিক অবস্থা আঁচ করা যায় সহজেই।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 2006 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.