নজরুলের দেবীস্তুতি

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v47i2.7
Crossmark

Authors

Abstract

কোন কোন ঘটনার অভিঘাত মানুষের জীবনে অকল্পনীয় পরিবর্তন সূচিত করে। আর সে মানুষটি যদি হন কোন কবি বা শিল্পী তা হলে তো আর কথাই থাকে না ; কারণ, কবি বা শিল্পীরা হন সংবেদনশীল, আবেগপ্রবণ। কবি কাজী নজরুল ইসলামের (১৮৯৯-১৯৭৬) শিশুপুত্র অরিন্দম খালেদ ওরফে বুলবুলের (১৯২৬-১৯৩০) মৃত্যুর অভিঘাতে তাঁর জীবনের গতি-প্রকৃতি ভিন্নরূপ পরিগ্রহ করে। শুরু হয় তাঁর জীবনের নতুন অধ্যায়। দ্বিতীয় পুত্র বুলবুলের মৃত্যুর পর থেকে কাজী নজরুল ইসলাম ক্রমাগত অন্তর্মুখী হতে থাকেন। বুলবুল ছিলো সপ্রতিভ, শ্রুতিধর ও সুদর্শন। তার প্রতি ছিল তাঁর অন্তহীন স্নেহ। সে বসন্তে আক্রান্ত হলে তাকে বাঁচানোর জন্য এলোপ্যাথি- হোমিওপ্যাথিসহ ঝাড়-ফুঁক, তন্ত্র-মন্ত্রের আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। কিন্তু সব কিছু ব্যর্থ করে দিয়ে বুলবুল মৃত্যুবরণ করে। বসন্তে আক্রান্ত পুত্র বুলবুলের মৃত্যু শিয়রে বসে তাঁর অনূদিত ‘রুবাইয়াৎ-ই-হাফিজ' (১৯৩০) বুলবুলকে উৎসর্গ করেন। এই উৎসর্গপত্র থেকে বুলবুলের প্রতি তাঁর মনোভাব ও তার মৃত্যু-অভিঘাতে তাঁর মানসিক অবস্থা আঁচ করা যায় সহজেই।

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.
cover

Published

2006-02-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

নজরুলের দেবীস্তুতি . (2006). সাহিত্য পত্রিকা, 47(2), 128-135. https://doi.org/10.62328/sp.v47i2.7

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%