কৃষ্ণকুমারী নাটক ও অভিজ্ঞানশকুন্তলম্-মালবিকাগ্নিমিত্রম্-মৃচ্ছকটিকম্ : সাদৃশ্য ও স্বাতন্ত্র্য

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v51i2.10
Crossmark

Authors

Abstract

বাংলা রেনেসাঁসের সার্থক প্রতিনিধি মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৮২৪-১৮৭৩)। নবযুগের উল্লাস, বেদনা ও সীমাবদ্ধতার সার্থক প্রতিফলন ঘটেছে তাঁর কাব্য-নাটক-প্রহসনগুলিতে। বাংলা সাহিত্যের কালবদল, বিশেষ করে মধ্যযুগের অন্ধ তমসাগর্ভ থেকে আলোকোজ্জ্বল নতুন সাহিত্যে পদার্পণ তাঁরই পদচিহ্ন ধরে ঘটেছে। সুতরাং বাংলা সাহিত্যে তিনি যুগস্রষ্টা বা যুগন্ধর। বঙ্গদেশে ইংরেজি শিক্ষা-দীক্ষার ফলে এক শ্রেণির, বিশেষ করে যুবক সম্প্রদায়ের, মধ্যে বিদেশি ভাবধারা যেমন পোশাক-পরিচ্ছদ, আহার-বিহার, দৈনন্দিন জীবনচর্চায় দেশি ভাবধারাকে বর্জন করার প্রবণতা দেখা দিয়েছিল তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তবে প্রথম জীবনে তিনি এঁদেরই একজন হলেও পরিণত বয়সে বাংলা সাহিত্যচর্চার মধ্য দিয়েই তাঁর ব্যক্তিসত্তার উন্মোচন ঘটেছিল। মায়ের সযত্ন তত্ত্বাবধানে ছোটবেলা থেকেই রামায়ণ, মহাভারত, কবিকঙ্কণ চণ্ডী প্রভৃতি বিষয়ের প্রতি মধুসূদন দত্তের আগ্রহ জন্মেছিল। তাঁর এই সযত্ন তত্ত্বাবধান পরবর্তীকালে মধুসূদন দত্তের কবিসত্তার ভিত্তিভূমি রচনায় পালন করে দূরসঞ্চারী ভূমিকা। সাহিত্যের চর্চা করে অক্ষয় কীর্তি লাভ করবেন এটিই ছিল তাঁর লক্ষ্য। মধুসূদন দত্ত তা করে বাংলা সাহিত্যে নবজাগরণ ঘটিয়েছেন। তাঁর নাট্যরচনাতেই সর্বপ্রথম পাশ্চাত্য নাট্যভাবনা ও সংস্কৃত নাট্যভাবনার সংমিশ্রণ ঘটতে দেখা যায়। মধুসূদন দত্তই বাংলা সাহিত্যকে মধ্যযুগের সংকীর্ণ গণ্ডি থেকে বের করে বিশ্বসাহিত্যের দরবারে উপস্থিত করেছিলেন। সুতরাং তাঁকেই আধুনিক বাংলা সাহিত্যের স্রষ্টা বলা যায়। জীবন ও জগতের প্রতি স্বতন্ত্র দৃষ্টি, সাহিত্যের রূপ ও রীতি, সর্বোপরি প্রবল ব্যক্তিত্বের প্রকাশে মধুসূদন দত্ত যুগস্রষ্টার ভূমিকাই পালন করেছেন ।

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.
cover

Published

2014-02-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

কৃষ্ণকুমারী নাটক ও অভিজ্ঞানশকুন্তলম্-মালবিকাগ্নিমিত্রম্-মৃচ্ছকটিকম্ : সাদৃশ্য ও স্বাতন্ত্র্য . (2014). সাহিত্য পত্রিকা, 51(2), ১৭১-১৯৪. https://doi.org/10.62328/sp.v51i2.10
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
০%: ০/০