বাক্-প্রত্যঙ্গ
Abstract
আমরা জানি নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসে সহায়তা করা এবং রক্তশোধন করা ফুসফুসের অন্যতম কাজ। কিন্তু ফুসফুসই যে শেষ পর্যন্ত মানুষের বাকধ্বনি উৎপাদনের কেন্দ্র হ'য়ে থাকবে, তা কি কেউ ভাবতে পেরেছিল? প্রাণধারণের জন্য মানুষ ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাসগ্রহণ করে এবং শ্বাস ক্ষেপণও করে। শ্বাসবায়ুর বহির্গমন- কালে গলনালী ও মুখবিবরের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এ সংঘর্ষের স্থান, রূপ ও পরিমাণ অনুসারে বিভিন্ন ধ্বনি জন্ম লাভ করে। তার মধ্যে অর্থবোধক ধ্বনিগুলোই মানুষের বিভিন্ন ভাষার বাধ্বনি। ফুসফুস-তাড়িত বাতাসের নির্গমনের ফলেই সাধারণতঃ ধ্বনির সৃষ্টি হয়। কিন্তু এর বাতিক্রম অর্থাৎ শ্বাসগ্রহণের সময়ও ঠোঁট কিংবা মুখ গহ্বরের স্থান বিশেষে বাতাস বাধাপ্রাপ্ত হওয়ার ফলে ধ্বনিসৃষ্টির উদাহরণ বিরল নয়। ‘বিপরীত স্পর্শ' (Implosive), 'শীৎকার (clicks) প্রভৃতি ধ্বনি এ পর্যায়ে পড়ে৷ সাধারণতঃ বাতাসের বহির্গমন এবং ক্ষেত্র বিশেষে অন্তর্গমন ধ্বনিসৃষ্টির প্রধান উপায়। সুতরাং ফুসফুসই যে ধ্বনির উৎপাদক (generator) যন্ত্র এ থেকে তা বিশেষ ভাবে প্রমাণিত হয়।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 1961 সাহিত্য পত্রিকা - Shahitto Potrika | University of Dhaka

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.