ভাষাতাত্ত্বিক রবীন্দ্রনাথ
Abstract
বছর পঁচিশেক আগেও পাক-ভারত উপমহাদেশে ভাষাতত্ত্ব বলতে সাধারণতঃ আমরা তুলনামূলক ভাষাতত্ত্বই বুঝতাম। আর বহু ভাষাবিদই সাধারণ্যে ভাষা- তাত্ত্বিক নামে পরিচিত হ'তেন। অষ্টাদশ শতাব্দীর য়ুরোপে ভাষাতত্ত্ব সম্পর্কে এ রকম একটা ধারণা ছিল Comparative Philology বা তুলনামূলক ভাষা আলোচনাই ছিল এ শতাব্দীর ইউরোপীয় ভাষাবিজ্ঞানের লক্ষ্য।১৭৮৬ খৃষ্টাব্দে স্যার উইলিয়ম জোন্স কর্তৃক সংস্কৃত ভাষার আবিষ্কার য়ুরোপীয় তুলনামূলক ভাষাবিজ্ঞানের পঠনপাঠনে বিশেষভাবে সহায়তা করে; ফলে গ্রীক, ল্যাটিন, প্রাচীন পারণী এবং সংস্কৃত প্রভৃতি ভাষাগুলোর মধ্যে এক আশ্চর্য দৈহিক ও আত্মিক সম্পর্ক স্থাপন করা সম্ভব হয়। ঊনবিংশ শতাব্দীতে য়ুরোপে ভিন্ন খাতে ভাষাবিজ্ঞানের চর্চা শুরু হয়। এ শতাব্দীর ভাষা আলোচনার প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল ইতিহাসভিত্তিক। যে-কোনো একটি ভাষার বিবর্তন এবং তার শব্দাবলীর বিকাশকাহিনী বর্ণনাই এ বিজ্ঞানের মুখ্য আলোচ্য বিষয় ছিল।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 1961 সাহিত্য পত্রিকা - Shahitto Potrika | University of Dhaka

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.