হারামণি (পঞ্চম খণ্ড)

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v5i1.9
Crossmark

Official Crossmark button will be inserted here for this article DOI.

Crossmark Button Area

Authors

  • আনিসুজ্জামান University of Dhaka Author

Abstract

ডক্টর সুকুমার সেন তাঁর 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাসে' আধুনিকপূর্ব বাংলা গীতিকাব্যের দুটি ধারার উল্লেখ করেছেন। এক, পাঁচালী-পদাবলীর ধারা— উনবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত যার প্রাধান্য ৷ আর এক, সাধন-গীতির ধারা- চর্যাগীতিতে যার সূত্রপাত, বৈষ্ণব রাগাত্মিক পদাবলীতে যার প্রকাশভেদ আর বাউল গানে যার পরিণতি। উত্তর ভারতে কবীর, দাদু, রজ্জব, রবিদাসের রচনায় ধর্মসমন্বয়পন্থী বা মানববাদী মিস্টিক গানের যে প্রসার ঘটেছিল বহু পূর্বে, বাংলা দেশে সেই মিস্টিক গানের বিকাশ ঘটেছে উনিশ শতকে, বাউলদের রচনায় সকল ধর্মের উর্ধে সহজ সরল মানবতাকে এঁরা যেমন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তেমনি দেহের রহস্যভেদের নানারকম প্রয়াসের মধ্যে এদের আধ্যাত্মিক মনোবৃত্তি মুক্তি খুঁজেছে। উনবিংশ শতাব্দীর শেষে বাউল গানের কয়েকটি সংকলন প্রকাশিত হয়েছিল। লালশশী-সংকলিত ‘কর্তাভজার গীতাবলী' (প্রথম খণ্ড, ১২৭৭), হৃদয়- লাল দত্ত-সংকলিত ‘বাউল-সঙ্গীত' (১৮৮২?), তিনকড়ি স্মৃতিরত্ন-সংকলিত ‘বাউল- সঙ্গীত' (দু খণ্ড, ১৮৮২) এবং দয়ালচাঁদ ঘোষ-সংকলিত 'বাউল-সঙ্গীত' (১২৮৯) এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংগ্রহ। পরে বেরিয়েছিল হরিদাস বাবাজীর ‘বাউল সঙ্গীত' (কলিকাতা, ১৮৮৪) এবং নির্মলেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের সংগ্রহ ‘বাউল সঙ্গীত’ (কলিকাতা, ১৮৮৬)।

Downloads

Download data is not yet available.

Downloads

Published

1961-06-15

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

হারামণি (পঞ্চম খণ্ড). (1961). সাহিত্য পত্রিকা, 5(1), 269-280. https://doi.org/10.62328/sp.v5i1.9