মার্সেল প্রস্ত ও হারানো সময়
Abstract
ফরাসী কথাসাহিত্যিক মার্সেল প্রুস্ত, স্বদেশ ফ্রান্সে, জীবদ্দশাতেই কিংবদন্তীর পুরুষে পরিণত হয়েছিলেন। গ্রুস্তের বাবা ছিলেন সে-কালের অন্যতম সফল ও বিখ্যাত চিকিৎসাবিদ, না ছিলেন এক বিত্তশালী ইহুদী পরিবারের রুচিশীল সংস্কৃতিননা সুন্দরী মহিলা। মায়ের কাছ থেকে প্রুস্ত বহুলাংশে তাঁর শৈল্পিক রুচিবোধ ও স্পর্শকাতরতা লাভ করেছিলেন। দ্রুস্তের জন্ম ১৮৭১ সালে। ন'বছর বয়সের সময় বোঝা গেল যে তিনি হাঁপানির রোগী। এরপর থেকে তিনি প্রায় সারা জীবন অসুস্থতার মধ্যে কাটিয়েছেন । উজ্জ্বল আলো আর শব্দের কোলাহল তিনি সহ্য করতে পারতেন না ৷ নিজের ঘর তিনি কর্কের লাইনিং দিয়ে জুড়ে নিয়েছিলেন এবং দরোজা- জানালা বন্ধ করে প্রায় সর্বদ। আধা-অন্ধকার ঘরে থাকতেন । তাঁর প্রায় গব রচনাই বিছানায় শুয়ে শুয়ে লেখা ৷ অসুস্থত৷ গত্ত্বেও অবশ্য তিনি, অনিয়ন্ত্রিতভাবে ও খেয়ালখুশী মতো হলেও, প্রচুর পড়াশোনা করেন এবং প্রথম যৌবনে শিল্পসাহিত্যের সৌখীন অনুরাগী উচ্ছল যুবক হিসেবে সমাজের সর্বোচ্চ কেতাদুরস্ত মহলে ঘুরে বেড়ান এবং সেখানে যথেষ্ট সমাদর লাভ করেন। এই রকম একটি মহলে তাঁর দেখা হয় আনাতোল ফ্রান্সের সঙ্গে, যিনি ১৮৯৬ সালে প্রস্তের গল্প ও প্রবন্ধ গ্রন্থ “আনন্দ ও দুঃখ”- ”-এর ভূমিকা লিখে দিয়েছিলেন। সে-সময়কার সাড়া জাগানো দ্রোফুল আন্দোলনেও প্রুস্ত ও আনাতোল ফ্রান্স ছিলেন এক পক্ষে, প্রগতিশীলতার পক্ষে, এবং ডেফুসকে নিরপরাধ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার ব্যাপারে প্রস্ত তখন উল্লেখযোগ্য সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 1984 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.