প্রাচীন পাণ্ডু লিপিতে লিপিকর

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v28i3.4
Crossmark

Authors

Abstract

ছাপাখানা প্রবর্তনের পূর্বে আমাদের দেশে অধ্যয়ন-অধ্যাপনা, রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম, ধর্ম, সাহিত্য, সামাজিক আচার-অনুষ্ঠান, চিকিৎসা, শাস্ত্র, ব্যক্তি-জীবনের প্রক্ষেপ ইত্যাদি বিচিত্র বিষয়ের চর্চার বাহন ছিলো গাছের ছাল, পাতা, তুলট কাগজ প্রভৃতি উপাদানে লিখিত হাতের লেখা প্রাচীন পাণ্ডুলিপি। শিলালিপি, কাষ্টফলক, রাষ্ট্রীয় ও ধর্মীয় অনুশাসন এবং মঠ, মন্দির, মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা, সময়কাল-সূচক পরিচিতি ছাড়া অন্যান্য বিষয়ের ক্ষেত্রে রচয়িতার মূল-গ্রন্থ থেকে সময়ের ব্যবধানে স্থানিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির হাত ছুঁয়ে প্রাচীন পাণ্ডুলিপি অনুলেখনের পর বার বার অনুলিখিত হয়ে দেশের সর্বত্র বিস্তার লাভ করতো। অনুলেখনের কাজ সমাপিত হতো লিপিকরদের সাহায্যে। লিপিকরদের এ অনুলেখনের ফলে প্রাচীন কাল থেকে ছাপাখানা প্রবর্তনের পূর্ব পর্যন্ত বৈয়াকরণিক, শাস্ত্রিক, ধর্মীয়, সাহিত্য, চিকিৎসা-সম্বলিত পাণ্ডুলিপি বাঙালী জাতির প্রাচীন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের স্বাক্ষর বহন করছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে লিপিকরদের ভূমিকা যেমন বলিষ্ঠ, তাদের অবদানও তেমনি অনস্বীকাৰ্য৷ প্রাচীন পাণ্ডুলিপির অনুলেখনের কাজ প্রাচীন কাল থেকে অনুসৃত হয়ে এসেছে। অনুলেখকদেরকে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নামে অভিহিত করা হতো। চতুর্থ শতকে পেশাদার অনুলেখকদের লিপিকর বা লিবিকর, সপ্তম ও অষ্টম শতকে দিবির পতি, অষ্টম থেকে একাদশ শতক পর্যন্ত কায়স্থ বলা হতো। সার্বিকভাবে সময়ের পরিবর্তনে স্থান ও পাত্র ভেদে অনুলেখকদের পরিচিতিমূলক উপাধি বিচিত্রতর রূপ নেয়। ফলে পাণ্ডুলিপি গ্রন্থরাজিতে করণক, করণিক, শাসনিক, ধৰ্মলৈখিন, সরকার হিসেবে তাদের পরিচিতি বিধৃত। 

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.

Published

1985-06-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

প্রাচীন পাণ্ডু লিপিতে লিপিকর. (1985). সাহিত্য পত্রিকা, 28(3), 93-147. https://doi.org/10.62328/sp.v28i3.4

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%