সংস্কৃত সাহিত্যচর্চা : পাণ্ডুলিপি পাঠ ও পাঠোদ্ধার পদ্ধতি
Abstract
আমাদের বর্তমান অস্তিত্ব স্বীকারে পূর্বপুরুষদের অবদান যেমন নিঃসন্দেহ তেমনি বর্তমান সাহিত্যের ক্ষেত্রে প্রাচীন পাণ্ডুলিপির গুরুত্বও—অপরিসীম ও অনস্বীকার্য। প্রাচীনযুগ আজকের মত যন্ত্রমুখর ছিল না বলে তখন কবি-প্রতিভার প্রকাশ হতো গাছের বাকল, ভূর্জ-পত্র ইত্যাদিতে। আর তা লিখিত ও অনুলিপিকৃত হতো হাতেই। তাই এর নাম পাণ্ডুলিপি বা পুথি। এই পাণ্ডুলিপিগুলো কিছুটা বিকৃতি (লিপিগত, ভাষাগত ও বানানগত) স্বীকার ক’রে যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন লিপিকরদের হাতে লিপিকৃত হতে হতে আমাদের সময় পর্যন্ত তার অস্তিত্ব বজায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। কিন্তু সক্ষম হচ্ছে না তার অস্তিত্বের পূর্ণ প্রকাশ ঘটাতে আমাদের বিদ্বৎসমাজে। এর মুখ্য কারণ পাঠোদ্ধারের জটিলতা। অধিকাংশ পাণ্ডুলিপি যে অক্ষরে লেখা হয়েছে তা বর্তমান বাংলা লিপির অঙ্কুরাবস্থা। আজ আমাদের সংগ্রহে যে সব বাংলা ও সংস্কৃত পাণ্ডুলিপি রয়েছে তার সিংহভাগ বাংলা হরফে লেখা। কিছু কিছু সংস্কৃত পাণ্ডুলিপি দেবনাগরী (সংস্কৃত) অক্ষরে লেখা দেখা যায়। কালের বিবর্তনে বিভিন্ন পাণ্ডুলিপিতে ব্যবহৃত এই প্রাচীন বাংলালিপি বিভিন্ন রূপ পরিগ্রহ করতে করতে আধুনিক বাংলা-বর্ণের আকার ধারণ করেছে। বিভিন্ন সময়ের এইসব পাণ্ডুলিপিতে বিভিন্ন কবিগণ তাঁদের প্রতিভাপ্রসূত যে অমূল্য সম্পদ রেখে গেছেন তার কিছু কিছু প্রকাশিত হয়েছে বিশ্বসাহিত্যে, তবে অধিকাংশই রয়ে গেছে অজানার অন্ধকারে। এই রত্নরাজীকে অজানা থেকে জানার আলোকে প্রকাশ করা একান্তই বাঞ্ছনীয়।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 1985 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.