গীতিকবি কায়কোবাদ : ‘অমিয়ধারা' ও 'প্রেমের ফুল' কাব্যের প্রেক্ষিতে
Abstract
কবি কায়কোবাদের (১৮৫৮-১৯৫২) ১ কবি-মানস ঊনবিংশ শতাব্দী এবং বিংশ শতাব্দী, এই দুই শতকের কাব্য-ধারায় লালিত এবং তাঁর কাব্য-সাধনাও এই দুই শতকে বিস্তৃত। তিনি একদিকে মহাকাব্যিক রচনা ‘মহাশ্মশান' (১৯০৪)-এর কবি, অন্যদিকে গীতিকবিতা ‘অশ্রুমালা' (১৮৯৪)-র কবি। বাংলা কাব্যের জগতে কায়কোবাদ তাই ‘মহাকবি কায়কোবাদ' হিসেবে চিহ্নিত, আবার ‘গীতিকবি কায়কোবাদ’ হিসেবেও সুপরিচিত। তবে কায়কোবাদের সহজাত কবি-প্রবৃত্তি গীতি- কবিতা রচনাতেই পেয়েছে স্বতঃস্ফূর্ততা। উনিশ শতকের শেষপাদে মহাকাব্য ও কাহিনী-কাব্যের ধারায় ব্যতিক্রমী সুর নিয়ে ; আপন অন্তরের কথা নিয়ে; ‘একলা কবির’ কথা নিয়ে যিনি কাব্যজগতে প্রবেশ করেছিলেন, তিনি গীতিকবি বিহারীলাল চক্রবর্তী (১৮৬৫-১৮৯৪)। লক্ষণীয় ব্যাপার এই যে, বাংলা গীতিকবিতার জগতে ‘ভোরের পাখী' হিসেবে পরিচিত বিহারীলালের প্রথম গীতিকবিতার সংকলন ‘বঙ্গসুন্দরী' (১৮৭০) আর কায়কোবাদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘বিরহ-বিলাপ' (১৮৭০) একই সময়ে প্রকাশিত। ‘বিরহ- বিলাপ' কাব্যের কবিতাগুলো কায়কোবাদের সহজাত কবি-প্রাণের প্রকাশ। গীতিকবিতার অঙ্গনে বিহারীলালের আবির্ভাবের সঙ্গে সঙ্গে কায়কোবাদেরও প্রবেশ ঘটেছে।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 1985 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.