মাইকেলের মাদ্রাস-জীবন : কিংবদন্তী এবং বাস্তব

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v30i3.1
Crossmark

Authors

Abstract

শর্মিষ্ঠা (১৮৫৯) নাটক প্রকাশের সময় থেকে আরম্ভ করে বীরাঙ্গনা-(১৮৬২) প্রকাশের সময় পর্যন্ত কিঞ্চিদধিক তিন বছরের মধ্যে মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ কবি এবং নাট্যকার হিশেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন। অবশ্য রাতারাতি প্রতিষ্ঠা অর্জন করলেও, কোনো রোমাঞ্চ-কাহিনীর লেখকের মতো তিনি শস্তা জনপ্রিয়তা পাননি। তবে একশো তিরিশ বছর পরেও, নিরাসক্ত দৃষ্টি দিয়ে বিচার করলে তাঁকেই বাংলা সাহিত্যের প্রথম আধুনিক এবং অন্যতম প্রধান শিল্পী বলে স্বীকার করতে হয়। স্বভাবকবিত্বে তাঁর বিশ্বাস ছিলো না। নিরন্তর কঠোর পরিশীলন এবং ঐকান্তিক অধ্যবসায়ের মাধ্যমেই তিনি কবি হয়ে উঠেছিলেন। তিনি তাঁর সৃষ্টির উপকরণ সংগ্রহ করেছিলেন দেশবিদেশের ভাষা-সাহিত্য থেকে, বহু বছরের পরিশ্রমের মাধ্যমে। মাদ্রাস থেকে বন্ধু গৌরদাস বসাককে তিনি যে-চিঠি লিখেছিলেন, তা থেকে দেখা যাচ্ছে, তিনি প্রতিদিন প্রায় বারো ঘণ্টা ধরে হিব্রু, গ্রীক, তেলেগু, সংস্কৃত, ল্যাটিন এবং ইংরেজি শিখছিলেন। চিঠিতে তিনি প্রশ্ন করেছেন, পিতৃ- পুরুষের ভাষাকে ঐশ্বর্যমণ্ডিত করার জন্যে তিনি কি যথেষ্ট পরিশ্রম করছেন না? সন্দেহ নেই, তাঁর মতো এতো ব্যাপক এবং বিচিত্র মূলধন নিয়ে বাংলা সাহিত্যের কোনো শিল্পী যাত্রা শুরু করেননি। এই মূলধনের একটা বড়ো অংশই তিনি আহরণ করেছিলেন, যখন তিনি মাদ্রাসে ছিলেন। কিন্তু পরিতাপের বিষয়, তাঁর জীবনের এই অতি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের কথা এ যাবৎ সামান্যই জানা ছিলো। বস্তুত, যা জানা ছিলো, তার বেশির ভাগই ছিলো কিংবদন্তী, জনশ্রুতি, এমন কি, গুজব। 

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.

Published

1987-06-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

মাইকেলের মাদ্রাস-জীবন : কিংবদন্তী এবং বাস্তব. (1987). সাহিত্য পত্রিকা, 30(3), 1-36. https://doi.org/10.62328/sp.v30i3.1

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%