পাণ্ডুলিপি পরিচিতি ও গরিচায়ন পদ্ধতি

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v31i2.6
Crossmark

Authors

Abstract

প্রাচীন পাণ্ডুলিপির জীর্ণবক্ষে আমাদের যে সাহিত্যকৃতি, অতীত ঐতিহ্য ম্রিয়মাণ অবস্থায় আছে, যার সজীবতার মধ্যে আমাদের ‘বর্তমান’ খুঁজে পেতে পারে তার ঋদ্ধির পথে অগ্রসর হওয়ার বহুল জীবনীশক্তি, তাকে জীবন্ত করে তোলার আন্তরিক প্রয়াস এতদিন দুর্লক্ষ্য ছিল। দীর্ঘদিনের সীমাহীন অবহেলা, ঔদাসীন্য, অনাদর আর প্রযত্নের অভাবে ইতোমধ্যে অনেক পাণ্ডুলিপি বিলীন হয়ে গেছে ; অবশিষ্টাংশও বিলুপ্তির পথে। তবে সাম্প্রতিক কালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এই অমূল্য সম্পদ রক্ষাকল্পে একটি কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফোর্ড ফাউণ্ডেশন-এর অর্থানুকূল্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। এ প্রকল্পের উদ্দেশ্য—বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে যে-সকল পাণ্ডুলিপি সংগৃহীত আছে তাদের পরিচায়ন করা এবং মাইক্রোফিল্ম পদ্ধতির মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী করে রাখা। বাংলাদেশের বিভিন্ন সংগ্রহশালায় সংগৃহীত পাণ্ডুলিপির সংখ্যা আনুমানিক ৬০ হাজারের ঊর্ধ্বে। কিন্তু এই পাণ্ডুলিপিগুলো নিতান্ত অবহেলা ও অযত্নের এবং বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে অবক্ষয়ের শিকার হয়ে আছে। এদের অধিকাংশই অদ্যাবধি অপরিচায়িত ও বিশৃঙ্খল অবস্থায় রয়েছে – যা আমাদের জাতীয় জীবনে কখনোই গৌরবের নয়। এর পশ্চাতে কারণ অনেক, তন্মধ্যে দু'টি কারণ হলো—এসব প্রাচীন পাণ্ডুলিপির মূল্য সম্পর্কে অনবগতি ও পাণ্ডুলিপি গবেষকের অভাব। অনেকের ধারণা এ সব জীর্ণ পত্র ঘেঁটে কি হবে? কিন্তু মুক্তো পেতে হলে কিছু ধূলো- বালিতো শরীরে মাখতেই হবে। আর এ জন্যেই দরকার যথেষ্ট সংখ্যক গবেষকের। কিন্তু দুঃখের সঙ্গে পরিলক্ষিত হচ্ছে যে বাংলাদেশে এ ধরনের পাণ্ডুলিপি গবেষকের কেবল অভাবই নয়, পাণ্ডুলিপি সম্পর্কে সাধারণ ধারণা আছে এমন লোকের সংখ্যাও অপ্রতুল।

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.
cover

Published

1988-02-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

পাণ্ডুলিপি পরিচিতি ও গরিচায়ন পদ্ধতি. (1988). সাহিত্য পত্রিকা, 31(2), 189-226. https://doi.org/10.62328/sp.v31i2.6

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%