আধুনিক বিচারে বিষাদ-সিন্ধু

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v31i3.2
Crossmark

Authors

Abstract

'বিষাদ-সিন্ধু' মীর মশাররফ হোসেনের সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় গ্রন্থ। তাঁর শ্রেষ্ঠ সাহিত্য-কীর্তি কোনটি এ প্রশ্নে সমালোচক মহলে মতভেদ থাকলেও তাঁর খ্যাতি যে, প্রধানতঃ 'বিষাদ-সিন্ধু'র জন্যেই, এ কথা সর্বজন-স্বীকৃত। বস্তুতঃ মীর সাহেব ছোট বড় প্রায় ৪২ খানা গ্রন্থের রচনাকার হলেও 'বিষাদ- সিন্ধু'র জন্যেই তিনি বাঙালী পাঠক-সমাজে পরিচিত ও জনপ্রিয়তা লাভ করেছেন। বহুকাল পর্যন্ত একমাত্র 'বিষাদ-সিন্ধু'ই মশাররফ হোসেনের একক পরিচিত গ্রন্থ ছিলো। বাঙালী সমাজে 'বিষাদ-সিন্ধু' বলতে ‘মীর মশাররফ হোসেন’ এবং ‘মীর মশাররফ হোসেন' বলতে লোকে 'বিষাদ-সিন্ধু' বুঝত। এদেশের মুসলিম পাঠক-সমাজে, জনপ্রিয়তার বিচারে দু'টি পুস্তক তুলন৷ রহিত—‘আনোয়ারা’ এবং ‘বিষাদ-সিন্ধু’। 'বিষাদ-সিন্ধু'ই মীর মশাররফ হোসেনকে বাংলা সাহিত্যে কালজয়ী করেছে। ‘বিষাদ-সিন্ধু' মশাররফ হোসেনের পরিণত বয়সের রচনা। তাঁর ছত্রিশ থেকে বিয়াল্লিশ বছর বয়সে এটি রচিত। তাঁর জীবনের মূল্যবান সময়ের শ্রেষ্ঠ ফসল এই ‘বিষাদ-সিন্ধু'। এটি মোট তিন পর্বে, তিন দফায় প্রকাশিত হয় । প্রকাশকাল যথাক্রমে ১৮৮৫ (মহরম পর্ব্ব), ১৮৮৭ (উদ্ধার পর্ব্ব) ও ১৮৯১ (এজিদ-বধ পৰ্ব্ব)৪ । ‘মহরম পর্ব্বে’ উপক্রমণিকাসহ ২৭, ‘উদ্ধার পর্ব্বে’ ৩০ এবং ‘এজিদ বধ পর্ব্বে' মোট ৫টি অধ্যায় রয়েছে ৷ লেখক অধ্যায়গুলোর নাম দিয়েছেন ‘প্রবাহ’। ১৮৯১ সালে তিনখণ্ড একত্রে প্রকাশিত হয়। দীর্ঘ সাত বছর ধরে রচিত ও প্রকাশিত এই গ্রন্থখানি মশাররফ হোসেনের অন্যান্য লেখা থেকে স্বতন্ত্র। ইতঃপূর্বে মশাররফ হোসেন একটি উপন্যাস, দুটি নাটক, একটি প্রহসন ও একটি ক্ষুদ্র কাব্য লিখেছিলেন । তাঁর এসব লেখার কোন কোনটি সমকালীন বিদগ্ধ সমালোচকের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও বৃহত্তর সমাজে সমাদৃত হয়েছিল এমন প্রমাণ নেই। 

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.

Published

1988-06-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

আধুনিক বিচারে বিষাদ-সিন্ধু. (1988). সাহিত্য পত্রিকা, 31(3), 22-56. https://doi.org/10.62328/sp.v31i3.2

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%