ফরাসী নাট্যকার জাঁ জিরাদু
Abstract
ফরাসী কূটনীতিবিদ, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক এবং নাট্যকার জাঁ জিরাদুর (১৮৮২-১৯৪৪) প্রতিভার বিশেষ বিকাশ ঘটেছে নাটকের অঙ্গনে। ১৯০৯ সাল থেকে তিনি সাহিত্যকর্মে ব্রতী, কিন্তু প্রথম দিকে নাটক নয়,কথাসাহিত্য তাঁকে আকর্ষণ করে। তাঁর প্রথম ছোটগল্প-সঙ্কলন “মফস্বলের মানুষেরা” (১৯০৯) মোটামুটি সমাদৃত হলেও লেখকের জন্য কোন আর্থিক সাফল্য বয়ে আনেনি। কুটনৈতিক দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পরবর্তী প্রায় বিশ বছরে তিনি কয়েকটি উপন্যাস ও স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ রচনা করেন, যার মধ্যে রয়েছে “বেচারা সাইমন” (১৯১৮), “ছায়ামূর্তির জন্য কিছু কথা” (১৯১৭), “মোহন ক্লিও” (১৯২০), “সিগফ্রিড ও লিমুসিন” (১৯২২), “বেলা” (১৯২৬), “ইনল্যানটাইন” (১৯২৭) এবং “জেরোম বাদিনির এ্যাডভেঞ্চার” (১৯৩০)। কথাসাহিত্য থেকে জিরাদু নাট্যকর্মে মনোনিবেশ করেন ১৯২৮ সালে। জগৎ ও জীবন সম্পর্কে তাঁর নিজস্ব চিন্তাভাবনাকে নাটকের মাধ্যমে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর কাছে পেঁৗছে দেবার আশাতেই তিনি নাটক রচনায় মনোনিবেশ করেন। সে-সময় ফ্রান্সের রঙ্গমঞ্চে তেমন কোন প্রতিভাবান সমকালীন স্বদেশীয় নাট্যকারের আবির্ভাব ঘটেনি, যদিও প্রযোজনা, পরিচালনা, মঞ্চসজ্জা প্রভৃতির দিক দিয়ে তখনকার ফরাসী রঙ্গমঞ্চ ছিলো উজ্জ্বল ও দীপ্তিমান ৷ জ্যা কপ্য, চার্লস দুলি, গাস্তন বাতি, লুই জুভে প্রমুখ প্রতিভাবান নির্দেশক-প্রযোজকগণ তখন মঞ্চে পরিবেশন করতেন হয় প্রাচীন ধ্রুপদী ফরাসী নাটক কিম্বা চেকভ, শ' ও পিরান্দেল্লোর মতো বিদেশী শ্রেষ্ঠ নাট্য- কারদের নাট্যকর্ম। ১৯২০-এর দশকের সমকালীন স্বদেশের নাট্যকারদের রচনা তাঁদের কাছে নিষ্প্রভ মনে হয়েছিলো। এই পটভূমিতে নাটকের অঙ্গনে আবির্ভূত হলেন জাঁ জিরাদু।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 1988 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.