মীর মশাররফ হোসেনের ‘সঙ্গীত লহরী’
Abstract
‘সঙ্গীত লহরী' মীর মশাররফ হোসেনের দ্বিতীয় পদ্য গ্রন্থ এবং কালানুক্রম হিসেবে সপ্তন গ্রন্থ। ' প্রকাশকাল ১৮৮৭ খ্রীস্টাব্দ। বইটির মোট পৃষ্ঠা সংখ্যা ৬৮ ; মোট গানের সংখ্যা ৮৮ এবং মুদ্রণ সংখ্যা ১০০০।' 'সঙ্গীত লহরী’ লেখকের খণ্ড কবিতা ও গান রচনার নিদর্শন। এতে কোন গদ্য রচনা নেই, নেই কোন ভূমিকা ৷ গ্রন্থের শুরু থেকেই ক্রমিক সংখ্যা দিয়ে একটির পর একটি গান ছাপা হয়েছে। গান গুলোর নাম দেয়৷ হয়নি, নম্বর দেওয়া হয়েছে এবং কোন কোন গানের সুর ও তাল নির্দেশ করা হয়েছে। গীতি- কবিতা হিসেবেও এগুলি সুখপাঠ্য। বেঙ্গল লাইব্রেরী ক্যাটালগ' থেকে ‘সঙ্গীত লহরী' সম্পর্কে আরও কিছু তথ্য জানা যায়। যেমন: (ক) প্ৰকাশকাল ৪ঠা আগস্ট, ১৮৮৭। (খ) মুদ্রণ সংখ্যা ১০০০। (গ) গ্রন্থস্বত্ব মীর মশাররফ হোসেন (ময়মনসিংহ)। এ থেকে জানা যাচ্ছে 'সঙ্গীত লহরী'র প্রকাশকালে, অর্থাৎ ১৮৮৭ সালে মীর সাহেব তাঁর চাকরীস্থল দেলদুয়ারে (ময়মনসিংহ) ছিলেন। ‘সঙ্গীত লহরী'র প্রথম পরিচয় পাওয়া যায় ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের “সাহিত্য-সাধক চরিতমালা' গ্রন্থে। তিন মশাররফ হোসেনের জীবন ও সাহিত্যকর্মের পরিচয় দিতে গিয়ে 'সঙ্গীত লহরী'র প্রকাশকাল, পৃষ্ঠা সংখ্যা ও মীরের রচনার নিদর্শন স্বরূপ তা থেকে চারটি গান উদ্ধৃত করেছেন। মীরের জীবন ও সাহিত্যকর্ম নিয়ে যাঁরা আলোচনা করেছেন ‘সঙ্গীত লহরী' সম্পর্কে তাঁদের কেউ এ যাবতকাল ব্রজেন্দ্রনাথ-অতিরেক কোন তথ্য-পরিবেশনে সক্ষম হননি। প্রত্যেকেই ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়ের তথ্য-সংকেতের ভিত্তিতে গ্রন্থটির ইঙ্গিতধর্মী পরিচয় দানের চেষ্টা করেছেন। সম্প্রতি কুষ্টিয়া থেকে অধ্যাপক আবুল আহসান চৌধুরী গ্রন্থটি সংগ্রহ করে তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশ করেন। ‘সঙ্গীত লহরী’র কোন প্রত্যক্ষ সমালোচনা কোথাও পাওয়া যায়নি।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 1989 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.