রবীন্দ্রনাথের কাব্যপাঠ (বিদায় অভিশাপ-চিত্রাঙ্গদা-চিত্রা)

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v32i2.1
Crossmark

Authors

Abstract

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রেমকে নানাভাবে ব্যাখ্যা করবার চেষ্টা করেছেন। কখনও দেহ-মিলনের আগ্রহ, কখনও বিরহজনিত আকুলতা, কখনও বিস্মৃত হবার ভয়, কখনও স্মৃতির সাধনা, কখনও কর্ম ও প্রেমাকুলতার দ্বন্দ্ব, কখনও অলৌকিক রহস্য এবং কখনও সকল সন্তাপের শেষে একটি স্বস্তির আরাধনা—এভাবেই নানা বিচিত্র প্রকৃতিতে রবীন্দ্রনাথ প্রেমের ব্যাখ্যা করেছেন। প্রেমের মধ্যে দেহ এবং হৃদয়ের দ্বৈততা রবীন্দ্রনাথ স্বীকার করেছেন। যেখানে দেহ উন্মুখ সেখানে হৃদয় অচেতন, আবার হৃদয় যেখানে উন্মুখ তখন দেহ বিমুখ। এভাবে দেহ ও হৃদয়ের একটি দ্বন্দ্বকে রবীন্দ্রনাথ প্রকাশ করবার চেষ্টা করেছেন অনেক কবিতায় এবং নাট্যকাব্যে। লক্ষ্য করা যায় যে রবীন্দ্রনাথ বৈষ্ণব পদাবলীর প্রেমের আপ্যায়নটি গ্রহণ করতে চেয়েছিলেন। মিলন এবং বিরহ নিয়ে বৈষ্ণব পদাবলীর রহস্য, মধুরতা এবং আনন্দ। এই বিরহের স্বরূপ পদকর্তার। এভাবে দিয়েছেন যে হৃদয়ে যখন প্রেমকে ধারণ করা যায় তখন সাক্ষাতের প্রয়োজন হয় না। তাই দেখতে পাই যে পদাবলীতে মাথুরের পদগুলো সবচেয়ে মধুর এবং সুন্দর। শ্রীকৃষ্ণ যখন রাধিকার কাছ থেকে সরে গেলেন সব সময়ের জন্য, তখন রাধিকার হৃদয়-মন্দিরে কানু আশ্রয় গ্রহণ করলেন। চিত্তের প্রকোষ্ঠে  আশ্রয়টি এত প্রবল, সুদৃঢ় এবং চিরস্থায়ী ছিল যে বাইরের পৃথিবীর মানুষের বাধা দেবার কিছুই ছিল না। সকল চাঞ্চল্য মুক্ত হয়ে প্রেম তখন স্মৃতিরঞ্জন। রবীন্দ্রনাথ ‘বিদায় অভিশাপ' নামক নাট্যকাব্যে প্রেমের একটি অপূর্ব সুন্দর পরিচয় দিয়েছেন। ‘পঞ্চভূত' গ্রন্থে ‘কাব্যের তাৎপর্য' প্রবন্ধে তিনি এর বিস্তৃত আলোচনা করেছেন। 

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.

Published

1989-02-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

রবীন্দ্রনাথের কাব্যপাঠ (বিদায় অভিশাপ-চিত্রাঙ্গদা-চিত্রা). (1989). সাহিত্য পত্রিকা, 32(2), 1-39. https://doi.org/10.62328/sp.v32i2.1
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
০%: ০/০