পঞ্চাশের দশকে চল্লিশের কবি দায়বদ্ধতার ধারায় পশ্চিম বাংলার কবিতা
Abstract
পশ্চিম বাংলার চল্লিশের কবিদের বিরুদ্ধে একটা স্বীকৃত অভিযোগ এই যে, তাঁরা তিরিশের কবিদেরকে কাব্যপ্রেরণার উৎস হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। একদিকে বিষ্ণু দে প্রেমেন্দ্র মিত্রের সামাজিক বাস্তবতা এবং অন্যদিকে বুদ্ধদেব বসুর গীতল, আবেগধর্মী কাব্য সৃষ্টিই তাঁদের চেতনাকে আচ্ছন্ন করেছে। এছাড়া রবীন্দ্রনাথের বিপরীতে দাঁড়িয়ে যে—নতুন, অভিনব কাব্যরূপ তিরিশের কবিরা সন্ধান করছিলেন, চল্লিশের কবিরা তাঁদের সেই অভিযাত্রায় পালন করেছেন সহযাত্রীর ভূমিকা। তবে তিরিশের কবিদের কাছ থেকে পাওয়া বহু ব্যবহৃত সহজ উপকরণ নিয়ে কাব্যচর্চায় মনোনিবেশ করেন নি তাঁরা। এ সম্পর্কে কবি অরুণ কুমার সরকার লিখেছেন প্রাথমিক পর্যায়ে চল্লিশের কবিকূল ‘তিরিশের লেজুড় হিসাবেই” কাব্য চর্চা শুরু করেছিলেন এবং ‘আপাতত অবস্থাটা কতকটা তাই ছিল বৈকি। কেননা, নিজের-নিজের অনুভব এবং বুদ্ধি- বিবেচনা অনুযায়ী চল্লিশের কবিরা চিন্তাভাবনার দিক থেকে তিরিশের কবিদেরই বিভিন্ন জীবনদর্শনকে অনুসরণ করেছিলেন। তবুও যে সেদিন তাঁদের পৃথক করে চিনে নেওয়া সম্ভব হয়েছিল তা তাঁদের বিষয়বস্তু নির্বাচন এবং শব্দচয়নের সাহসী আধুনিকতার গুণেই। ১ তবে এই গুণ বা স্বকীয়তা চল্লিশের কবিরা খুঁজে পান বস্তুত চল্লিশের দশকে নয় পরবর্তী পঞ্চাশের দশকে, অর্থাৎ আমাদের আলোচ্য পর্বে।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 1989 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.