নাজীব মা ও আরবী কথা - সাহিত্য
Abstract
হিজরী ২য় (খ্রীস্টাব্দ 'অষ্টম) ও হিজরী ৩য় (খ্রীস্টাব্দ নবম) শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে আব্বাসী খলীফা 'আল-মায়ূনের রাজদরবারে বিশিষ্ট পণ্ডিত ব্যক্তিদের আবির্ভাব আরবী শিল্প ও সাহিত্যে এক গৌরবময় দিক সূচিত করে। এই সময় রম্য সাহিত্যকে কেন্দ্র করে আরবী গদ্যরীতিতে এক নব পর্যায়ের উন্মেষ ঘটে। প্রাচীনকালে ব্যাকরণ- শাস্ত্র, বাগ্মিতা ও কাব্যকলাকেই রম্য রচনা বলা হতো। পরবর্তীকালে Belles-Letters (রম্য রচনা) বলতে কল্পনা-কান্ত ও শিল্পসঙ্গত যে-কোন সাহিত্যকেই বুঝানো হতো এবং প্রবন্ধ ও সমালোচনা-সাহিত্যও রম্য রচনার অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করা হতো। কিন্তু 'আধুনিক কালে আরবী রম্যরচনা বলতে এক শ্রেণীর লঘু কল্পনাময় হাস্যরসাত্মক প্রবন্ধ (মাকালা)-কে বুঝায়। 'আরবী রম্যসাহিত্যের প্রথম নায়ক ইব্ন আল-মুকাফফা (মৃ. ১৪৩/৭৬০)। তাঁর রচিত 'কালীলা ওয়া দিমনা” (দুইটি শিয়ালের নাম) আরবী কথা-সাহিত্যের প্রথম পদক্ষেপ। এরপর ইব্ন কুতায়বা (মৃ. ২৭৬/৮৮৯), আল জাহিয (মৃ. ২৫৪/৮৬৮), ইব্ন 'আব্দ রাব্বিহ (মৃ. ৩২৯/৯৪০), ইমাদ 'আল-দীন আল-কাতিব 'আল-ইসফাহানী (মৃ. ৫৯৭/১২০০) প্রমুখ পণ্ডিতব্যক্তি রম্য-সাহিত্য- কেন্দ্রিক গ্রন্থ রচনা করেন। তাঁদের যথাকুমে লিখিত ‘উয়ুন 'আল- 'আখবার' (খবরের উৎস), ‘কিতাব 'আল-হায়াওয়ান' (প্রাণী জগতের গ্রন্থ), ‘আল-ইক্দ 'আল- ফরীদ' (মূল্যবান মুক্তা) ও ‘খারীদাত আল-কার' (প্রাসাদের কুমারী) প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের বিষয়বস্তু যেমন বৈচিত্র্যময়, তেমনি প্রেম, ভালবাসা, সাহসিকতা এবং 'অভিমানের রসসিক্ত মিশ্রণে কাহিনীগুলো পরিপূর্ণ । এইসব কাহিনীর বর্ণনায় অনেক ক্ষেত্রে হাদীসের প্রারম্ভিক রীতির অনুসরণ করা হয় এবং নীতি-কথা ও উপদেশমূলক বাক্যের মাধ্যমে শেষ হয়৷
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 1989 সাহিত্য পত্রিকা - Shahitto Potrika | University of Dhaka

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.