বাংলা গদ্যের ধারায় সৈয়দ মুজতবা আলী
Abstract
‘বেশির ভাগ লেখক আপন দেশকালের মধ্যে সম্পূর্ণ আবদ্ধ হয়ে থাকেন। তাঁরা কুশলী শিল্পী হ'লেও তাঁদের রচনায় ''বিশ্বমানবিক সুরটি লাগে না ; আর কোনো-কোনো লেখক আপন দেশকালের পরিবেশের শরীরে বিশ্বমানবের প্রাণস্পন্দন সঞ্চারিত করেন, তাঁরাই বড়ো লেখক, তাঁরাই মহৎ শিল্পী। ‘১৯৪৮-এর ১৩ই মার্চ থেকে [‘দেশ'-এ] এক সম্পূর্ণ নতুন ধরনের লেখা শুরু হল। এই লেখা নিঃসন্দেহে বাংলা সাহিত্যক্ষেত্রে এক নবযুগের সৃষ্টি করল। বাঙালী পাঠক এ ধরনের লেখা আগে পড়েননি। লেখার নাম 'দেশে-বিদেশে', লেখক সৈয়দ মুজতবা আলী। এমন আশ্চর্য ও অসাধারণ রচনা পৃথিবীর যে কোনো ভাষায়ই বিরল।” ‘সবাই মুজতবা নন, কিন্তু সকলেরই মুজতবা হবার ইচ্ছে। ইচ্ছেটা যে রসরুচি থেকে জন্মায় তা নয়, তার মূল উৎস অন্যত্র। যেহেতু জীবন বিষয়ে গভীর করে ভাববার স্থৈর্য নেই, কিংবা এমন কি ক্ষমতাই নেই ভাবনার, অথচ রচনাবিলাস পুরোপুরি বর্তমান—অতএব মুজতবা পন্থী হতে মনোযোগ।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 1989 সাহিত্য পত্রিকা - Shahitto Potrika | University of Dhaka

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.