মীর মশাররফ হোসেনের ‘জমীদার দর্পণ' সমসাময়িক প্রেক্ষিতে

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v32i3.6
Crossmark

Authors

Abstract

মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের এক উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব। তাঁর ঐতিহাসিক গুরুত্ব এখানে যে, তিনিই প্রথম মুসলমান সাহিত্যিক যিনি 'আধুনিককালের বাংলা সাহিত্যে একটি স্থায়ী আসন অর্জন করতে সক্ষম হয়েছেন। ‘বিষাদ-সিন্ধু' তাঁর সবচাইতে জনপ্রিয় গ্রন্থ এবং এ গ্রন্থটির জন্যই বাঙালী পাঠক মানসে তাঁর প্রতিষ্ঠা অবিসংবাদী। 'বিষাদ- সিন্ধু'র খ্যাতির প্রকট ঔজ্জ্বল্য তাঁর অন্যান্য গ্রন্থের গুরুত্ব ও মাহাত্ম্যকে ম্লান করে দিয়েছে। 'অথচ উক্ত গ্রন্থটির পূর্বে, পরে এবং সমকালে সৃষ্ট মশাররফের যে সাহিত্য-সম্ভার তা সংখ্যার প্রাচুর্যে, বিষয়বস্তুর গৌরবে, আঙ্গিক-বৈচিত্র্যে কিংবা সামাজিক উপযোগিতায় মোটেও অব হেলাযোগ্য নয়। সামগ্রিক সৃষ্টিকর্মের আলোকে বিবেচনা না করলে যে একজন শিল্পীকে পুরোপুরি অনুধাবন করা যায় না একথা নতুন ক'রে বলার অপেক্ষা রাখে না। মীর মশাররফ হোসেনকে পরিপূর্ণভাবে উপলব্ধির জন্যেও তাই তাঁর প্রধান-অপ্রধান সমস্ত সৃষ্টিকর্মের বিস্তৃত আলোচনা হওয়া প্রয়োজন। মীর মশাররফ হোসেনের রচনাগুলোর মধ্যে একজন সমালোচক তিনটি ধারা আবিষ্কার করেছেন : “প্রথম ধারার মধ্যে আছে রূপকথা বা পুথিপত্রের দ্বারা প্রচলিত কাহিনী। দ্বিতীয় ধারায় দেখা যায় দেশের বাস্তব ঘটনা বা সমাজের বাস্তব অবস্থাকে অবলম্বন করে রচিত কাহিনী। তৃতীয় ধারায় পাওয়া যায় ধর্মমূলক কাহিনী।” এগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় ধারার অর্থাৎ সমাজচেতনামূলক রচনাগুলোর মধ্যে 'উদাসীন পথিকের মনের কথা’, ‘গাজী মিয়ার বস্তানী' এবং ‘জমীদার দর্পণ' সবিশেষ উল্লেখযোগ্য। সমাজবাস্তবতা-নির্ভর ‘জমীদার দর্পণ' নাটকটি আমাদের আলোচনার বিষয়বস্তু।

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.

Published

1989-06-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

মীর মশাররফ হোসেনের ‘জমীদার দর্পণ’ সমসাময়িক প্রেক্ষিতে. (1989). সাহিত্য পত্রিকা, 32(3), 77-94. https://doi.org/10.62328/sp.v32i3.6

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%