রবীন্দ্রনাথের চৈতালি

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v32i3.1
Crossmark

Authors

Abstract

রবীন্দ্রনাথের চৈতালি কাব্যগ্রন্থ অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ থেকে একটু ব্যতিক্রম। এর মধ্যে বিভিন্ন অভাবিত দৃশ্য আছে, আকস্মিকের আবির্ভাব আছে, অবান্তরও অনেক কিছু আছে। নদীর প্রবাহের একধারে সামান্য একটি ডাল যদি আটকে পড়ে তাহলে সেখানে শৈবাল ঘন হয়ে এসে ঠেকে, নানাবিধ আবর্জনা এসে জুড়ে বসে—একটি অপ্রত্যাশিত সীমানা তৈরী হয়। গ্রন্থাবলীতে একথাগুলো রবীন্দ্রনাথেরই বলা। তিনি বলতে চাচ্ছেন যে, চৈতালি কাব্যগ্রন্থটি তাঁর কাব্য প্রবাহের ধারাক্রমের মধ্যে একটি ব্যতিক্রম এবং বিছিন্ন। এই কাব্যগ্রন্থের মধ্যে টুকরো টুকরো চিত্র, অল্প পরিসরের ঘটনা, অল্প পরিধির ছবি সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে। মূলতঃ পল্লী গ্রামের বিচিত্র জীবন, লোকালয়, গোয়াল ঘর, ধানের মারাই, বিচালীর স্তুপ, বিস্তীর্ণ ফসল-কাটা শস্য ক্ষেত—এই সমস্ত চিত্র। নৈবেদ্য এ রূপ পেয়েছে এবং এই রূপ বর্ণনাটি অত্যন্ত নিরাভরণ ভঙ্গিতে কবি করেছেন। কবি যেটা দেখেছেন সেটাই যথেষ্ট ভেবে কোনরূপ অলংকার ছাড়াই তাকে প্রকাশ করেছেন। সেই কারণেই ‘চৈতালি’র ভাষা অত্যন্ত সরল এবং সহজ। স্পষ্ট দেখার স্মৃতিকে কবি নিরলংকৃত ভাষায় প্রকাশ করেছেন। ‘চৈতালি’ বাংলা ১৩০৩ সালে রবীন্দ্রনাথের কাব্য-গ্রন্থাবলীর অন্তর্গত হয়ে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থের অধিকাংশ কবিতা চৈত্র মাসে লিখিত হয়েছিল বলে বৎসরের শেষ উৎপন্ন শস্যের নামে রবীন্দ্রনাথ এর নামকরণ করেছিলেন। গ্রন্থের আরম্ভের কবিতাটি “উৎসর্গ” নামে চিহ্নিত। 

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.

Published

1989-06-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

রবীন্দ্রনাথের চৈতালি. (1989). সাহিত্য পত্রিকা, 32(3), 1-6. https://doi.org/10.62328/sp.v32i3.1

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%