সামন্তযুগে বাংলা ভাষার কবিদের সাহিত্যাদর্শ

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v33i2.6

Authors

  • সাঈদ-উর রহমান Author

Abstract

অষ্টম থেকে অষ্টাদশ শতাব্দ পর্যন্ত কালকে সাধারণভাবে বাংলাদেশের সামন্তযুগ ধরা হয়। সেযুগের প্রথমদিকে সংস্কৃতভাষায় ও প্রাকৃত-অপভ্রংশ ভাষায় সাহিত্যচর্চা হতো; একেবারে শেষের দিকে ফারসীও সাহিত্য- চর্চার বাহন হিসেবে স্থান করে নিয়েছিল। আর পুরো সময়েই বাংল। ভাষায় সাহিত্যচর্চা অব্যাহত ছিল। সর্বভারতীয় সংস্কৃতির ধারক হিসেবে সংস্কৃতের মর্যাদা ছিল অসাধারণ। সে-সংস্কৃতির অংশিদার ও উত্তরাধিকারী হিসেবে বাঙালী কবিরা মহাকাব্য, খণ্ডকাব্য, কোষকাব্য, দূতকাব্য, নাট্যকাব্য ও চম্পুকাব্যসহ বিভিন্ন আঙ্গিকে সাহিত্যসাধনা করতেন। জয়দেব, উমাপতিধর, সন্ধ্যাকরনদী, চতুর্ভুজ, কবিকর্ণপুর, বিদ্যাকর, রূপগোস্বামী, জীবগোস্বামী, বিষ্ণুদাস প্রমুখ কবি সংস্কৃত সাহিত্যভাণ্ডার সমৃদ্ধ করেছেন। বাঙালীদের সংস্কৃত রচনারীতি ‘গৌড়ী রীতি” নামে প্রতিষ্ঠা পেয়েছিল তাঁদের আবির্ভাবের পূর্বেই। তেরা থকে আঠার শতক অবধি দরবারী ভাষা ছিল ফারসী। রাজকার্যের প্রয়োজনে আগ্রহী ব্যক্তিদের ফারসী শিখতে হতো। ফারসী সংস্কৃতির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগও স্থাপিত হয়েছিল প্রথমদিকে। বাংলার এক সুলতান কবি হাফিজকে বাংলায় আসার আমন্ত্রণ করেছিলেন চোদ্দ-পনের শতকের সন্ধিক্ষণে। ফারসী সাহিত্যের বেশ কয়কটি কাব্যকাহিনী বাংলা সাহিত্যে অনুপ্রবেশ করে মধ্যযুগে। বহিরাগত ফারসী কবিরা দরবারের পরিবেশে ফারসীতে কবিতা রচনা করতেন। মোগল যুগে বিখ্যাত ফারসী কবিরা ছিলেন আজাদ আল হোসাইনী, সৈয়দ গোলাম হোসেন ও মির্জা জান তাপিস। একজন বাঙালী শেখ ইজ্জতুল্লাহ ফারসী ভাষাতে রচনা করেছিলেন। তাজুল মুলক গুলে বকাওলী (১৭২২)। এটা উর্দুতে ও বাংলায় অনূদিত হয়েছিল৷

Downloads

Download data is not yet available.

Downloads

Published

1990-02-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

সামন্তযুগে বাংলা ভাষার কবিদের সাহিত্যাদর্শ. (1990). সাহিত্য পত্রিকা, 33(2), 159-178. https://doi.org/10.62328/sp.v33i2.6