মিশরের বাইরে আরবী সাংবাদিকতা-সাহিত্য
Abstract
বিশ্বে সর্বপ্রথম মুদ্রিত সংবাদপত্র প্রকাশিত হয় চীনে। আরব ভূমিতে নেপোলিয়ন বোনাপার্টের দ্বারা সংবাদিকতার প্রবর্তন হয়। মিশরকে আরবী সাংবাদিকতার জন্মস্থান বলে আখ্যায়িত করা হয়। মিশরের পর আরবী সাংবাদিকতার শুরু হয় তুরস্কে। ১২৭১/১৮৫৪ সালে লন্ডনে আশ্রয় গ্রহণকারী রিষ্ক আল্লাহ হাসান আল-হালাবী কনস্টান্টিনোপল থেকে “মিরাত আল্-আহওয়াল (বর্তমান অবস্থার দর্পণ) নামে একটি সাপ্তাহিক রাজনৈতিক পত্রিকা বের করেন। এই সাপ্তাহিকীটি রুশ- তুর্কী যুদ্ধ, সিরিয়া-লেবানন যুদ্ধ এবং উসমানী শাসকদের কার্যকলাপ সমালোচনা করে সংবাদ পরিবেশন করতো। পরিণামে পত্রিকাটি তুর্কী সেন্সরশীপ আরোপের ফলে বন্ধ হয়ে যায়। ১২৭৪/১৮৫৭ সালে “আল- সুলতানা” (সম্রাজ্ঞী) নামে অন্য একটি আরবী পত্রিকা ইস্কান্দার শালহুব কর্তৃক কনস্টান্টিনোপলে প্রকাশিত হয়। ১২৬৭/১৮৫০ সালে তুর্কী সরকারের তত্ত্বাবধানে মাসিক চিকিৎসা সাময়িকী “ওয়াকাই তিব্যিয়া” (চিকিৎসার ঘটনাবলী) তুর্কী ও ফরাসী ভাষায় কনস্টান্টিনোপল থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। তুর্কী সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় ১২৭৫/১৮৫৮ সালে আরবী ও ফরাসী ভাষায় খলীল আল-খোরী কর্তৃক “হাদীকাত আল-আফকার” (ভাবের উদ্যান) প্রকাশিত হয়। পত্রিকাটির প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বৈরুতে বসবাসকারী সকল বিদেশী নাগরিককে মহিমান্বিত পরবারের মনোভাব সম্পর্কে অবহিত করা। এরপর ১২৭৭/১৮৬০ সালে “আল-সুলতানা”-এর অনুকরণে আরবী পত্রিকা “আল-জাওয়াইব” লেবা- ননের সাহিত্যিক আহ্মদ ফারিস আল-শিপইয়াক কর্তৃ ক কনস্টান্টি- নোপল থেকে প্রকাশিত হয়। তুর্কী সরকার এর পৃষ্ঠপোষকতার দায়িত্ব নেয়। আহমদ ফারিস এর কিছুদিন পর ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। সুতরাং পত্রিকাটিতে জোরালো ভাবে ইসলামের ভাবমূর্তি তুলে ধরা হয়।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 1990 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.