ধূসর পাণ্ডুলিপি-র বর্ণবৈচিত্র্য : চিত্রশিল্পের দৃষ্টিতে

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v33i3.6
Crossmark

Authors

Abstract

ধূসর পাণ্ডুলিপি (১৯৩৬) কবি জীবনানন্দ দাশ-এর (১৮৯৯-১৯৫৪) দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ। রবীন্দ্রোত্তর আধুনিক বাংলা কবিতার জগতে কবি জীবনানন্দ দাশ এক অবিস্মরণীয় নাম। বিংশ শতাব্দীর বিপন্ন মানবতার মুখচ্ছবি সর্বপ্রথম ধরা পড়ে কবি জীবনানন্দ দাশ-এর কবিতায় । জীবনানন্দের শৈশব-কৈশোর-যৌবন বিংশ শতাব্দীর প্রথম তিন দশকের বৈশ্বিক ও দৈশিক ঘটনা প্রবাহের অভিঘাতে উদ্বোধিত। সিগমন্ড ফ্রয়েডের মনোসমীক্ষণ তত্ত্বের প্রকাশ, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মানববিধ্বংসী ডামাডোল, রুশ বিপ্লবের হাঁ-অর্থক প্রতিফলন, অসহযোগ ও খেলাফত আন্দোলন, সন্ত্রাসবাদী আন্দোলনের প্রসার, অর্থনৈতিক বিপর্যয় ও মুদ্রাবাজারের মন্দা, কাব্যজগতে ‘ওয়েস্ট ল্যান্ড' তথা ‘পোড়ো-জমি’র নঞর্থকতা নিয়ে টি. এস. এলিয়ট-এর আবির্ভাব—আশা নিরাশার এই সব দ্বৈধের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্বমানসে পরিণামে নেতিবাচকতাই প্রশ্রয় লাভ করে। এই নেতি, তথা নৈরাজ্য, ব্যর্থতা ও বেদনাকে আত্মস্থ করেই কাব্যাঙ্গনে জীবনানন্দের যাত্রাশুরু। শান্ত ও সৌম্য রবীন্দ্রনাথের আশাবাদী জীবনবোধের বিপরীতে জীবনানন্দের প্রথম স্বকীয় উচ্চারণ শ্রুত হলো, ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি' কাব্য গ্রন্থে।  সমকালীন বিশ্বের ও দেশের সর্বোপরি যুগমানসের প্রধান বৈশিষ্ট্য হতাশা-ব্যর্থতা। পরবর্তী কালে জীবনানন্দ এই নেতিবাদী অবস্থান থেকে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন আশাবাদী ‘অনিমেষ আলোর বলয়ে কিন্তু ধূসর পাণ্ডুলিপি-র কালে যুগমানস-সম্ভূত নৈরাশ্য ও; নরাজ্যের তিনি কাব্যরূপকার। যুগের এই নৈরাজ্য ধূসর রঙের বর্ণপ্রতীকে প্রতীকা য়িত হয়ে নাম গ্রহণ করেছে ‘ধূসর পাণ্ডুলিপি'।

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.

Published

1990-06-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

ধূসর পাণ্ডুলিপি-র বর্ণবৈচিত্র্য : চিত্রশিল্পের দৃষ্টিতে. (1990). সাহিত্য পত্রিকা, 33(3), 157-176. https://doi.org/10.62328/sp.v33i3.6

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%