বৌদ্ধ সাহিত্যে নারীর ক্ষমতায়ন: একটি পর্যালোচনা

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v60i3.5
Crossmark

Authors

Keywords:

Abstract

যে কোনো সাহিত্য ও ধর্ম-দর্শনে মানবজীবনের বিভিন্ন বিষয় প্রতিফলিত হয়ে থাকে। বৌদ্ধ সাহিত্য ও ধর্ম-দর্শনও এর ব্যতিক্রম নয়। বৌদ্ধ সাহিত্য ও ধর্ম-দর্শনে ধর্মীয় বিষয়ের আলোচনার পাশাপাশি সমাজে বসবাসকারী মানুষের যাপিত জীবনের নানা বিষয় আলোচিত হয়েছে। আর সেই আলোচনার গভীরে প্রবেশ করলে দেখা যায়, এ সাহিত্য সমাজের নর-নারীদের জীবনবোধসহ বিভিন্ন দিক উপস্থাপন করেছে। বৌদ্ধ সাহিত্যে একই সঙ্গে আলোচিত হয়েছে নারীর ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গ, যা বর্তমান বিশ্বে বহুল আলোচিত একটি সময় উপযোগী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রাচীন ভারতে বুদ্ধযুগে গৌতম বুদ্ধ সকল মানুষকে সমানভাবে মূল্যায়ন করেছেন এবং সেটি অনুসরণ করার জন্য তিনি নির্দেশনা প্রদান করেছেন। তিনি উঁচু-নিচু কোনো ভেদাভেদ করেননি। নারীদেরও তিনি আলাদাভাবে দেখেননি। তিনি নারীদের সমান মর্যাদা প্রদান করেছেন, দিয়েছেন সকল প্রকার অধিকার। সংঘে প্রবেশাধিকার থেকে শুরু করে সমাজ, দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রেও প্রদান করেছেন সম-অধিকার। বৌদ্ধ সাহিত্য থেকে জানা যায়, প্রাচীন ভারতে রাজ্য পরিচালনা থেকে শুরু করে ধর্ম প্রচার সকল ক্ষেত্রে নারী সগৌরবে কাজ করতে পেরেছেন। তিনি ক্ষেমা ও উৎপলবর্ণাকে সারিপুত্র এবং মৌদগলায়ণের ন্যায় সম-অধিকার ও মর্যাদা প্রদান করেছিলেন। তিনি নারীদের সকল প্রকার নির্যাতনের শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করে নারী ও পুরুষকে সমতাভিত্তিক সমাজ গঠন ও উন্নয়নের সম-অংশীদারিত্বে উদ্বুদ্ধ করার বিষয়ে সর্বদাই বলেছেন। কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠনের জন্য বুদ্ধ নারীদের অনেক বেশি মর্যাদা প্রদান করেছেন এবং নারীর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে আখ্যায়িত করেছেন। আলোচ্য প্রবন্ধে নারীর ক্ষমতায়ন, মর্যাদা, সম-অধিকার থেকে শুরু করে এ সম্পর্কিত নানা দিকের তথ্যানুসন্ধান উপস্থাপিত হয়েছে।

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.

References

ঈশানচন্দ্র ঘোষ (১৪২০)। জাতক চতুর্থ খণ্ড (অনূদিত)। কলকাতা: করুণা প্রকাশনী
জিনবংশ ও অন্যান্য (২০১৭)। পবিত্র ত্রিপিটক একাদশ খণ্ড: খুদ্দকনিকায়ে খুদ্দকপাঠ, ধম্মপদ, উদান, সুত্তনিপাত, ইতিবুত্তক, বিমানবত্থু ও প্রেতকাহিনি (অনূদিত)। বাংলাদেশ: ত্রিপিটক পাবলিশিং সোসাইটি
ধর্ম্মরত্ন মহাস্থবির (১৯৪১)। মহাপরিনিব্বান সুত্তং (সংকলিত ও অনূদিত)। চট্টগ্রাম: রাজবিহার
বাণী চট্টোপাধ্যায় (১৯৯০)। পালি সাহিত্যে নারী (সন্দীপ নায়ক প্রকাশিত)। কলকাতা
বেলু রানী বড়ুয়া (২০০৪)। থেরীগাথা। ঢাকা: বাংলাদেশ রিচার্স সেন্টার ফর বুড্ডিস্ট স্টাডিজ
ভিক্ষু শীলভদ্র (১৩৩৭)। থেরীগাথা (অনূদিত)। কলকাতা: মহাবোধি বুক সোসাইটি
ভিক্ষু শীলভদ্র (২০১৯)। পবিত্র ত্রিপিটক চতুর্থ খণ্ড; সূত্রপিটকে দীর্ঘনিকায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় খণ্ড (অনূদিত)। বাংলাদেশ: ত্রিপিটক পাবলিশিং সোসাইটি
রবীন্দ্র বিজয় বড়ুয়া (১৯৮০)। পালি সাহিত্যের ইতিহাস প্রথম খণ্ড। ঢাকা: বাংলা একাডেমি
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন (২০০৬)। রোকেয়া রচনাবলী (আবদুল কাদির সম্পাদিত)। ঢাকা: বাংলা একাডেমি
শীলানন্দ ব্রহ্মচারী (২০১০)। ধাতু সুত্ত (অনূদিত)। কলকাতা: মহাবোধি বুক এজেন্সী
শীলানন্দ ব্রহ্মচারী (২০১০)। সংযুক্ত নিকায় (অনূদিত)। কলকাতা: মহাবোধি বুক এজেন্সী
সুধাংশুরঞ্জন ঘোষ (১৯৯৫)। জাতক সমগ্র (ভাষান্তরিত ও সম্পাদিত)। কলকাতা: কামিনী প্রকাশালয়
সুকোমল বড়ুয়া ও সুমন কান্তি বড়ুয়া (২০০০)। ত্রিপিটক পরিচিতি এবং অন্যান্য প্রসঙ্গ। ঢাকা: বাংলা একাডেমি
Bhikkhu J. Kassyap (1956). Cullavagga (Edited). India: Nalanda Devanagari Pali Series (NDPS)
H. Oldenberg (1995). Vinay Pitak Vol. ii (Edited). London: Pali Text Society
Narada Thera (1993). The Dhammapada. Taiwan: The Corporate Body of the Buddha Educational Foundation
T. W. Rhys Davids (1910). Buddhism. London: Pali Text Society
Ostergaard (1992). Evaluating a Decade of World Bank Gender Policy. Washington D C: The World Bank

Published

2025-11-30

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

বৌদ্ধ সাহিত্যে নারীর ক্ষমতায়ন: একটি পর্যালোচনা. (2025). সাহিত্য পত্রিকা, 60(3), 83-95. https://doi.org/10.62328/sp.v60i3.5
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
০%: ০/০