নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের উপন্যাস : সমাজ ও ইতিহাস চেতনার অনুষঙ্গ
Abstract
মুখ্যত সত্য ও সর্বমান্য উপন্যাস নদীর প্রবাহের মতো গড়ে ভাঙে; কিন্তু স্মৃতিতে বিন্যস্ত থাকে প্রবহমান স্বরূপের প্রতিশ্রুতি – শ্রুতিময় পাণ্ডুলিপিও। পূর্বের ধারা বয়ে নতুনকে সে গ্রহণ করে, লড়াইয়ে সংগ্রামে হয় পুনর্গঠিত। ইতিহাস-চেতনা সেই স্বরূপের দিকচিহ্ন। বলা চলে, আর্কিটাপ-স্মরণরেখাও। ফলে, অঞ্চল ও জনপদ সেই চাঞ্চল্যে হয় শিরোধার্য। তাতে দর্শন গড়ে ওঠে। লেখা হয় উপনিবেশের পরের উপনিবেশ বা অন্য পদক্ষেপের পদচিহ্ন। নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়ের এ প্রবণতার অনেক আখ্যানের অকুস্থল এই “ইতিহাস”। এ ইতিহাস দ্বন্দ্বশীল ও পরিবর্তমান চেতনা। তাঁর রচনাবলিতে রাজনীতির ইতিহাস ইতিহাসের রাজনীতি বা সমাজ-ইতিহাসের দ্বৈরথ নিরূপিত হয়। আষ্টেপৃষ্ঠে বাঁধা পড়ে তটস্থ দৃষ্টিকোণ (point of view)। এ লক্ষ্যে আমরা মনে করি, ইতিহাসের সর্বৈর গুণ সেটি নয়, বরং চালিকাশক্তি - বস্তুত অর্থে তা লেখকের দায় ও দর্শনও। এ আলোচনায় এই ইতিহাস-কাঠামোয় গড়া ঘূর্ণমান জনপদকে তুলে ধরার প্রয়াস মিলবে এ প্রবন্ধে যা উপন্যাস-কাঠামোর স্বতঃশ্চল স্বীকারাক্তিকে নবতর বীক্ষা গঙ্গোপাধ্যায়ের স্বরূপের স্বাতন্ত্র্য্যও তাতে নির্ণয়ের চেষ্টা হতে পারে ।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 2018 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.