সাহিত্যশিল্পী: রবীন্দ্রনাথ ও উইলিয়াম ফকনার

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v34i3.1
Crossmark

Authors

Abstract

রবীন্দ্রনাথের চেয়ে উইলিয়াম ফকনার ছত্রিশ বছরের বয়োকনিষ্ঠ। তবে এমন একটি যুগ ছিল যখন উভয়েই সাহিত্য জগতে একই সময়ে সাহিত্যস্রষ্টা হিসেবে ফলপ্রসূ ছিলেন। সময়টি ছিল ১৯২৪ থেকে ১৯৪০। ১৯২৪ সালে ফকনার সাহিত্যে সলজ্জভাবে প্রবেশ করেন তাঁর প্রথম কবিতার বই দি মার্বেল ফাউন প্রকাশের মাধ্যমে। অতঃপর এক শুভার্থীর পরামর্শে তিনি উপন্যাসে হাত দেন যার ফলে ১৯২৬ সালে তাঁর প্রথম উপন্যাস সোলজার্স পে প্রকাশিত হয়। মনে রাখতে হবে তিনি প্রথম যৌবনে কানাডিয়ান ফ্লাইং ক্লাবে যোগ দেন এবং ফ্রান্সে রাজকীয় বিমান বাহিনীতে বেশ কিছুদিন চাকুরীরত ছিলেন। প্রথম উপন্যাসে তাই যুদ্ধোত্তর জীবনের গ্লানি ও হতাশা মুখ্য হয়ে উঠে। ফকনারের শ্রেষ্ঠ সাহিত্যকীর্তি মূলতঃ ১৯২৯ থেকে ১৯৩৯ সালের মধ্যে প্রকাশিত। রবীন্দ্রনাথ ১৯২৪ সালের চার মাস চীন-জাপান সফর করে নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশে ফিরেন। পরে পরেই আর্জেন্টিনা সফর। ফিরে এসেই (১৯২৫) যাত্রী ও পূরবী রচনা করেন। ফকনারের সাহিত্যসাধনা যখন মধ্যগগনে, রবীন্দ্রনাথ তখন অস্তপারের যাত্রী। তথাপি এই সময়েই তাঁর গদ্যকবিতার পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলেছে, তিনি প্রায় আড়াই হাজার চিত্রশিল্প অঙ্কন করেন এবং পূরবী, বনবাণী, লেখন, মহুয়া, বিচিত্রিতা, পরিশেষ, পুনশ্চ, বীথিকা, শেষ সপ্তক, পত্রপুট, শ্যামলী, ছড়ার ছবি, প্রান্তিক, সেঁজুতি, আকাশ প্রদীপ, নবজাতক, সানাই, রোগশয্যায়, জন্মদিনে, আরোগ্য, শেষলেখা প্রভৃতি কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন। অর্থাৎ ষাট-সত্তরোত্তীর্ণ রবীন্দ্রনাথ তাঁর সৃজনশীলতায় তখনো এক যুবক। এই সময়ের মধ্যে তাঁর দেশে দেশে ভ্রমণ এবং ভ্রমণবৃত্তান্তগুলোর প্রকাশ সমানতালে এগিয়ে চলেছিল। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আমন্ত্রিত হয়ে (১৯৩০) তার বিখ্যাত হিবার্ট বক্তৃতা প্রদান করেন, যার ফসল মানুষের ধর্ম গ্রন্থ। যোগাযোগ ও শেষের কবিতা উপন্যাসদ্বয় এবং তপতী নাটক এই সময়ের রচনা। 

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.

Published

1991-06-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

সাহিত্যশিল্পী: রবীন্দ্রনাথ ও উইলিয়াম ফকনার. (1991). সাহিত্য পত্রিকা, 34(3), 1-18. https://doi.org/10.62328/sp.v34i3.1
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
০%: ০/০