ইম্প্রেশনিজম ও বিষ্ণু দে-র কবিতা
Abstract
শিল্পসাহিত্যের ইতিহাসে বিভিন্ন ইজমের উদ্ভব ও পরিচর্যার পেছনে বহির্বাস্তরে ক্রমঘনায়মান সংকটাদির ছায়াপাত ছিল সক্রিয়। সমাজজীবনের সংকট-সমস্যাই শিল্পরূপের ক্ষেত্রে পরিবাহিত হয়েছে। বিশ শতকের সূচনা থেকে প্রায় তিরিশের দশক অবধি শিল্পকলা কতিপয় ইজমের মধ্য দিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রসারিত বিপর্যয়কে প্রাতিস্বিক মাত্রায় ধারণ করেছে। যুদ্ধে, দুর্ভিক্ষে, অর্থনৈতিক মন্দায়, রাষ্ট্রনৈতিক অস্থিরতায়, প্রাতিষ্ঠানিক ও পারিবারিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ে এবং টেকনোলজির অতিদ্রুত স্ফীতির প্রেক্ষাপটে শিল্পের স্বাধিকার রক্ষার দায়বোধ জাগে শিল্পীর চৈতন্যে। ঐ সময়কালের আগে-পরে 'শিল্পের জন্য শিল্প ’এ-অভিধায় উক্ত স্বাধিকার রক্ষার প্রতিচ্ছায়ায় সিম্বলিজম, দাদাইজম, ফিউচারিজম, কিউবিজম, এক্সপ্রেশনিজম, ফবিজম, সুররিয়েলিজম ইত্যাদি ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদী রীতিনীতির উদ্ভব ও বিকাশ ঘটতে থাকে। এসব ইজমের উদ্ভাবনায় উৎস হিসেবে প্রাথমিক ভিত রচনা করেছিল শিল্পকলার ক্ষেত্রে চর্চিত ইম্প্রেশনিজম ধারাটি। পরবর্তী সব ইজমের সূত্র ও আধুনিকত্বের সূচক হিসেবে এ ধারাটিকে চিহ্নিত করা চলে। কারণ, ইম্প্রেশনিজম সংজ্ঞার্থ ব্যাপকভাবে আঙ্গিকের নতুনত্ব-সম্পাদন ছাড়াও শিল্পভাবনার ক্ষেত্রে-বৈপ্লবিক কিছু শর্তের বাহক ছিল। অঙ্কনরীতির ব্যক্তিকেন্দ্রিক অনুভবের স্বাধীনতার সঙ্গে সঙ্গে শিল্পরূপের জন্য আধুনিকতার অভিজ্ঞান-রচনা এ ইজমের দ্বারাই সম্ভব হয়েছে।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 1991 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.