ফরাশি-বাংলা অভিধান ও ব্যাকরণ
Abstract
বিদেশী ভাষা শেখা ও শেখানোর দুটি বড় হাতিয়ার হচ্ছে অভিধান ও ব্যাকরণ। আজকাল অবশ্য পৃথিবীর সব উন্নত দেশে ভাষাপ্রবেশক পাঠ্যপুস্তকের ছড়াছড়ি দেখা যায়। মানবিক কৌতূহল থেকে ভাষাবিজ্ঞানের প্রযুক্তিগত জ্ঞান জাহিরের অভিলাষে এগুলো তৈরী হচ্ছে। যে-বই কয়েক বছর খুব বেশী চললো তাদের শিক্ষক ও অন্যান্য বিশেষজ্ঞরা মিলে ঠিক করেন যে— না, এটা আর চলতে পারে না; বড্ড সেকেলে। শুরু হলো নতুন কলম, নতুন বই। এগুলো আর যাই হোক খুবই চমকপ্রদ। বাংলাদেশের পরিস্থিতি ভিন্ন। প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য বিদেশী সাহায্যে বা এককভাবে দেশী বিশেষজ্ঞরা বই তৈরী করেছেন কিন্তু তাতে ভাষাবিজ্ঞানের প্রযুক্তি ও সার্বিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে মনে হয় না। নেওয়া হলে পরিস্থিতি এখন যেখানে দাঁড়িয়েছে সেখানে আসতো না। যাহোক, প্রসঙ্গটি উত্থাপিত হলো মূলত ফরাশি- বাংলা অভিধান ও ব্যাকরণের কথা মনে করে। এবং তাও ঐতিহাসিক পরিপ্রেক্ষিতে। সম্প্রতি আমরা একটি প্রথম ফরাশি-বাংলা অভিধানের খোঁজ পেয়েছি। এটি অবশ্য প্রথম দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলো ভাষাচার্য ড. সুনীতি চট্টোপাধ্যায়ের। সম্প্রতি বাংলাদেশের একজন ফরাশি ভাষার শিক্ষক, শিশির ভট্টাচার্য তাঁর অনুসরণে এ বিষয়ে একটি ছোট্ট প্রবন্ধ লিখেছেন। প্রবন্ধটি আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দ্য ঢাকা থেকে উক্ত প্রতিষ্ঠানের মুখপত্র মাসিক ‘দেন্তা'র পনের সংখ্যায় (জুলাই, ১৯৯১) ফরাশি ভাষায় প্রকাশিত।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 1991 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.