সংস্কৃত অলংকারশাস্ত্রে কবি-প্রসিদ্ধি
Abstract
সংস্কৃত অলংকারশাস্ত্রের সর্বশ্রেষ্ঠ অবদান ধ্বনিবাদ। সুতরাং ধ্বন্যালোককে কেন্দ্রবিন্দু ধরে অলংকারশাস্ত্রের সমগ্র ইতিহাসকে তিনটি পর্বে ভাগ করা যেতে পারে--প্রাক্-ধ্বনিপর্ব, ধ্বনিপর্ব ও উত্তর-ধ্বনিপর্ব। প্রাক্-ধ্বনিপর্বের আলংকারিকদের মধ্যে ভরত, ভামহ, দণ্ডী, উদ্ভট বামন, রুদ্রট প্রভৃতির নাম উল্লেখযোগ্য। এঁদের মধ্যে ভরত রসবাদের, ভামহ অলংকারসম্প্রদায়ের এবং দণ্ডী রীতিবাদের প্রতিষ্ঠাতা। নবম শতক সংস্কৃত অলংকারশাস্ত্রের স্বর্ণযুগ। এ যুগেই রচিত হয় ধ্বনিবাদের বিখ্যাত গ্রন্থ ধ্বন্যালোক। ধ্বনিবাদের মূল কথা হচ্ছে ধ্বনিই কাব্যের আত্মা অর্থাৎ কাব্যকলার সারবস্তু। আনন্দবর্ধনের পরবর্তী আলংকারিকদের মধ্যে বক্রোক্তিবাদের প্রবর্তকরূপে কুন্তকের নাম বিশেষভাবে স্মর্তব্য। অন্যান্যদের মধ্যে মম্মট ভট্ট শাণিত বুদ্ধির দীপ্তিতে পুরাতন তত্ত্বকে নতুন করে যাচাই করার চেষ্টা করেছেন। এ ছাড়া সকলেই রচনা করেছেন সংকলন, গ্রন্থ, অলংকারশাস্ত্রের ভাণ্ডারে নতুন কিছু সম্পদ দান করতে তাঁরা সর্বতোভাবে ব্যর্থ হয়েছেন।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 1991 সাহিত্য পত্রিকা - Shahitto Potrika | University of Dhaka

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.