সংস্কৃত অলংকারশাস্ত্রে ধ্বনিবাদ

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v35i2.6
Crossmark

Authors

Abstract

প্রাধ্বনিযুগের আলংকারিকগণ কাব্যের স্বরূপ বিশ্লেষণ করে বলেছেন যে, শব্দ ও অর্থের সমন্বয়ই কাব্য--'শব্দার্থো সহিতৌ কাব্যম্।” ('কাব্যালংকার ভামহ ১।১৬)। এই শব্দ এবং অর্থ বাচক এবং বাচ্য শ্রেণীর। ব্যঙ্গ্য এবং ব্যঞ্জক প্রাচীন আলংকারিকগণের নিকট যে অপরিচিত ছিলনা তা সমাসোক্তি, অপ্রস্তুত প্রশংসা, পর্যায়োক্ত, অপহ্নুতি প্রভৃতি অলংকার কল্পনা হতে বোঝা যায়, কারণ এ- সকল অলংকারে ব্যঙ্গ্যার্থ বাচ্যার্থের পরিপোষকরূপে স্বীকৃত হয়েছে। রস কাব্যে চমৎকারের উৎস--একথা স্বীকার করেও এর প্রাধান্য তাঁরা মানতেন না। উপমা, রূপকের মতো বাচ্যার্থের শোভাজনকরূপে কল্পনা করে রসকে অলংকার পদবাচ্য মনে করতেন। সুতরাং প্রাচীন অলংকারশাস্ত্রে ব্যঙ্গ্যার্থ বাচ্যার্থের অঙ্গীভূত। ধ্বনিবাদীরা প্রথম কাব্যে ব্যঙ্গ্যার্থের অঙ্গিত্ব ঘোষণা করলেন। আনন্দ বর্দ্ধন বলেছেন-

প্রতীয়মানং পুনরন্যদেব বস্তস্তি বাণী মহাকবীনাম্ ।

যত্ত‍ প্রসীদ্ধাবয়বা জাতিরিক্ত বিভাতি লাবন্যমিবাঙ্গনাসু।।

(ধ্বন্যালোক ১।৪ )

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.
cover

Published

1992-02-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

সংস্কৃত অলংকারশাস্ত্রে ধ্বনিবাদ. (1992). সাহিত্য পত্রিকা, 35(2), ১৪১-১৬০. https://doi.org/10.62328/sp.v35i2.6

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%