চর্যাপদের শব্দ : উৎস পর্যালোচনা

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v35i3.4
Crossmark

Authors

Abstract

প্রাচীন যুগের বাংলা শব্দ-বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে যথেষ্ট সমস্যা রয়েছে। বিভিন্ন চর্যাপদ- সম্পাদকের সম্পাদিত পাঠের পার্থক্য এবং প্রাচীন যুগের শব্দের ব্যুৎপত্তি ও অর্থনির্ধারণে বিভিন্ন পণ্ডিতের মতানৈক্য শব্দের সঠিক শ্রেণী, সংখ্যা ও হার নির্ধারণে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে আসছে। উদাহরণ প্রমাণে ৪৯ সংখ্যক চর্যার উল্লেখ করা যায়। মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্র পাঠ অনুসারে এই চর্যার দ্বিতীয় চরণে যে শব্দটি ‘বঙ্গালে’ তা সুকুমার সেনের পাঠে হয়েছে ‘দঙ্গালে।’ ৩৬ নং চর্যায় সুকুমার সেনের পাঠে যা 'বামর' শহীদুল্লাহ্র পাঠে তা ‘বাহু।' অথচ শব্দটি টীকা অনুসারে ‘বামনাগার।' আবার ১৫নং চর্যায় শহীদুল্লাহ্ অনুসারে ‘গুমা' শব্দের অর্থ 'থানা’ কিন্তু হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর বিচারে তার অর্থ ‘গুল্ম।' আবার শহীদুল্লাহ ৩৯ নং চর্যায় ‘ঘুণ্ড ' শব্দটিকে 'গুণ্ডা' শব্দের প্রাচীন রূপ বলে অভিহিত করেছেন অথচ সুকুমার সেনের বিচারে তার অর্থ-'পর্যটক।' আলোচ্য প্রবন্ধে এই সমস্যার প্রতি আলোক- পাত করার চেষ্টা করা হয়েছে।

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.
cover

Published

1992-06-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

চর্যাপদের শব্দ : উৎস পর্যালোচনা. (1992). সাহিত্য পত্রিকা, 35(3), 60-70. https://doi.org/10.62328/sp.v35i3.4