যশোর-জেলার উপভাষা ও বিভাষার পারস্পরিক প্রভাব ও বিস্তার

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v36i1.5
Crossmark

Authors

Abstract

বৃদ্ধিবৃত্তি-সম্পন্ন মানুষ তার শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করেছে বিভিন্ন-পর্যায়ে অত্যন্ত যুক্তি নিষ্ঠভাবে বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায়। যেমন বলা যায় পারস্পরিক মনের ভাব-বিনিময়ের মাধ্যম হিসাবে যে ব্যবস্থাকে মানুষ গ্রহণ করেছে, তাকেই আমরা ভাষা নামে অভিহিত করেছি। অথচ সেই ভাষা-ব্যবস্থা কিন্তু সৃষ্টি হয়েছে স্বেচ্ছা প্রণোদিত (Arbitrary) ভাবে। এর বিজ্ঞানসম্মত বিশ্লেষণও করা গেছে চমৎকার যুক্তিনিষ্ঠতায়। অর্থাৎ মানুষ তার কণ্ঠনিঃসৃত ধ্বনিকে কাজে লাগিয়েছে সুশৃঙ্খল অথচ স্বেচ্ছাপ্রণোদিতভাবে। প্রতীক বা সঙ্কেতমালার মাধ্যমে সেই ধ্বনির স্থায়ী রূপও দিতে পেরেছে। যার ফলে অঞ্চল দেশ কাল ভেদে পাওয়া বিভিন্ন পর্যায়ের ধ্বনিগুলির বিশ্লেষণ সেই সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তবে ভাষা বলতে আমরা যা বুঝি বা বলে থাকি তার সংজ্ঞা আপেক্ষিক৷ কেননা ভাষা বলতে আমরা একদিকে যেমন ব্যাপক অর্থে বিভিন্ন কাল বা সময়ে প্রচলিত বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের কথ্য রূপ-কে এক-একটি গোষ্ঠীতে ফেলে ভাষা নামে অভিহিত করেছি তেমনি ভাষা-গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত ভাষার উপভাষাকেও সীমিত অর্থে ভাষা বলে সংজ্ঞায়িত করেছি। যেমন ইন্দো- ইরোপীয় ভাষাগোষ্ঠী, সেমেটিক-হেমেটিক ভাষা-গোষ্ঠী, তিব্বতী ভাষা - গোষ্ঠীকে যেমন ভাষা বলছি তেমনি বাংলা, অসমীয়া, হিন্দী, উর্দু, ইংরেজিকেও ভাষা বলছি। তাহালে আমরা বলতে পারি ভাষার ব্যাপক এবং সংকীর্ণ উভয় রূপই আছে। তাই ভাষাকে বিশ্লেষণের সুবিধার্থে ভাষা, উপভাষা, এবং বিভাষা— এই তিন নামে অভিহিত করা যায়।

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.
cover

Published

1992-10-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

যশোর-জেলার উপভাষা ও বিভাষার পারস্পরিক প্রভাব ও বিস্তার. (1992). সাহিত্য পত্রিকা, 36(1), 93-110. https://doi.org/10.62328/sp.v36i1.5

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%