ডায়গ্লসিয়া ও বাংলা ভাষা

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v36i1.4
Crossmark

Authors

Abstract

‘ডায়গ্লসিয়া' (Diglossia) বা 'ডাইগ্লসিক সিচুয়েশন' (Diglossic situation) বলতে মূলত একই ভাষার দ্বি-রীতিক পরিস্থিতিকে বোঝায়। একই সময়কালে যদি কোন একটি ভাষার সর্বজনস্বীকৃত দু'টি ভাষারীতি ব্যাপকভাবে প্রচলিত থাকে, তাহলে সে ভাষায় ডায়গ্লসিয়া পরিস্থিতি রয়েছে বলে ধরা যায়। এক্ষেত্রে দু'টি ভাষারীতিরই যুগপৎ আলাদা ও সুনির্দিষ্ট ভূমিকা থাকতে হবে এবং পরিবেশ অনুসারে সে দু'টি ভাষারীতি কম বেশী ব্যবহৃত হতে হবে। আরবি, গ্রীক ও তামিল ভাষাসহ পৃথিবীর অনেক ভাষায় ডায়গ্নসিয়া পরিস্থিতি রয়েছে। আরবি ভাষায় প্রচলিত দুটি ভাষারীতি যথাক্রমে ‘আল ফুস্হা' ও 'আল আমিয়াহ' নামে পরিচিত। গ্রীক ভাষায় দুটি ভাষারীতির নাম যথাক্রমে 'কাথারেভৌসা' ও 'ধিমোতিকি'। তামিল ভাষায় দু'টি ভাষারীতিকে বাংলায় যথাক্রমে 'সাহিত্যিক তামিল' ও 'কথ্য তামিল বলা যায়। আরবি, গ্রীক অথবা তামিল ভাষায় ব্যবহৃত বিভিন্ন ভাষারীতির সুনির্দিষ্ট ভূমিকা রয়েছে। উদাহরণ স্বরূপ, ‘সাহিত্যিক তামিল' ব্যবহৃত হয় সাহিত্য ক্ষেত্রে; অন্যদিক 'কথ্য তামিল' ব্যবহৃত হয় মূলত প্রতিদিনের কথোপকথনে। 'কথ্য তামিলে' কোন সাহিত্য রচিত হয়না। বাংলা ভাষায় সুদীর্ঘকাল থেকে 'সাধুরীতি' ও 'চলতিরীতি' নামে দু'টি রীতি প্রচলিত। এ'দু'টি ভাষারীতির কোন সুনির্দিষ্ট ভূমিকা নেই অর্থাৎ কোন্ পরিবেশে 'সাধুরীতি' ব্যবহৃত হবে অথবা কোন্ পরিবেশে 'চলতিরীতি' ব্যবহৃত হবে এরকম সুনির্দিষ্ট বিধি-নিষেধ বর্তমানে নেই। না থাকলেও, যেহেতু দীর্ঘকাল ধরে এ’দুটি ভাষারীতি বহুল ব্যবহৃত এবং এদের সাংগঠনিক ভিন্নতাও যথেষ্ট সেহেতু বাংলায় ডায়গ্লসিয়া পরিস্থিতি রয়েছে বলে ধরা যায়।

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.
cover

Published

1992-10-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

ডায়গ্লসিয়া ও বাংলা ভাষা. (1992). সাহিত্য পত্রিকা, 36(1), 77-92. https://doi.org/10.62328/sp.v36i1.4

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%