চর্যাপদে ব্যবহৃত শব্দ : শ্রেণীবিন্যাস সমস্যা
Abstract
আলোচ্য প্রবন্ধে প্রাচীন বাংলাভাষার নিদর্শন চর্যাপদে ব্যবহৃত শব্দাবলী ব্যুৎপত্তিগত ভাবে শ্রেণীবিন্যাসের চেষ্টা করা হয়েছে। চর্যাপদের বিশ্লেষণ যে-কোন দিক থেকেই হোক না কেন দুরূহ ব্যাপার। চর্যার রচনাকাল ও ভাষা বা পাঠ নির্ধারণের ম ত শব্দের পরিচয় নিয়েও যথেষ্ট মতানৈক্য রয়েছে। বিভিন্ন গ্রন্থ বা অভিধানে একই শব্দের বিভিন্ন রকম শ্রেণীকরণ করা হয়েছে। জ্ঞানেন্দ্রমোহন দাসের “বাঙ্গালা ভাষার অভিধান”বা সুকুমার সেনের “AN ETYMOLOGICAL DICTIONARY OF BENGALI (E. D. B)” অথবা সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের “THE ORIGIN AND DEVELOPMENT OF BENGALI LANGUAGE” (ODBL) গ্রন্থে অনেক শব্দই বাংলা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে যা আর. এল. টার্নারের “A COMPARATIVE DICTIO-NARY OF THE INDO-ARYAN LAGUAGES” (CDIAL) বা হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের “বঙ্গীয় শব্দকোষ” -এ সংস্কৃত বা বিভিন্ন ভাষার শব্দ রূপে নির্দেশিত। উদাহরণ স্বরূপ চর্যার "মোলাণ' শব্দটির উল্লেখ করা যেতে পারে। সুকুমার সেনের মতে শব্দটি বাংলা । ODBL এ উল্লেখ করা হয়েছে যে শব্দটি বাংলা উপভাষায় আছে। আর. ডি. ব্যানার্জীর মতে শব্দটি আরবী ফারসী “মুল্লা” থেকে এসেছে। এই শব্দটি দ্বাদশ শতাব্দীতে বাংলাদেশে মুসলমানদের অস্তিত্বের ইঙ্গিত বহন করে। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ তাঁর 'BUDDHIST MYSTIC SONGS' (BMS) গ্রন্থে ' মোলাণ' শব্দ সম্পর্কে লিখেছেন: It is still used in Assamese as such and in some Bengali dialects as ‘মোলাম’।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 1993 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.