সংস্কৃত ছন্দশাস্ত্রে গণ ও মাত্রা নির্দেশের বিভিন্ন পদ্ধতি
Abstract
সংস্কৃত সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ তার ছন্দশাস্ত্র। কারণ ছন্দের সঙ্গে কাব্যের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য, আর সংস্কৃত সাহিত্যের এক বিশাল অংশই রচিত এই ছন্দের বন্ধনে অর্থাৎ পদ্যকাব্যে। ছন্দোবদ্ধ পদই পদ্য (‘ছন্দোবদ্ধপদং পদ্যম্’)। নীরস বক্তব্যকে মাধুর্যমণ্ডিত করার প্রয়াসেই ছন্দের জন্ম। যিনি যত বড় কবি তিনি তাঁর কাব্য-শরীরকে ছন্দ ও অলঙ্কারে বিভূষিত করেছেন তত বেশী। ছন্দের বন্ধনে ভাষা পায় এক বিশেষ গতি, তাতে অভিব্যক্ত হয় নানা ব্যঞ্জনা, মনের গহনে গিয়ে জাগিয়ে তোলে আমাদের রসচিত্তকে। তখন সে যেন চলে যায় ‘ধূলি ছাড়ি একেবারে ঊর্ধ্বমুখে অনন্ত গগনে’, ‘অর্থের বন্ধন হতে’—ছুটে যায় ‘ভাবের স্বাধীন লোকে’। ছন্দ সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ বলেছেন——“আমরা ভাষায় বলে থাকি, কথাকে ছন্দে বাঁধা। কিন্তু এ কেবল বাইরে বাঁধন, অন্তরে মুক্তি। কথাকে তার জড়ধর্ম থেকে মুক্তি দেবার জন্যই ছন্দ। সেতারের তার বাঁধা থাকে বটে, কিন্তু তার থেকে সুর পায় ছাড়া। ছন্দ হচ্ছে সেই তার-বাঁধা সেতার, কথার অন্তরে সুরকে সে ছাড়া দিতে থাকে। ধনুকের সে ছিলা, কথাকে সে তীরের মতো লক্ষ্যের মর্মের মধ্যে প্রক্ষেপ করে।”কাব্যের ক্ষেত্রে ভাষায় যে ছন্দের বন্ধন তা এই তার-বাঁধা সেতার।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 1993 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.