দোহাকোষ-গীতি [সরহপা]
Abstract
খৃষ্টীয় অষ্টম শতকে সরহপা বিদ্যমান ছিলেন। চর্যাগীতিকা সূত্রে এবং দোহাকোষের ভাবানুষঙ্গে আমরা সরহপাকে একজন সন্ত-সিদ্ধ এবং মহান পণ্ডিত এবং কবি হিসেবে গণ্য করে থাকি। পণ্ডিত রাহুল সাংকৃত্যায়ন সরহপার সময়কালের রাজনৈতিক স্থিতি নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা করেছেন। পণ্ডিত রাহুলের আলোচনা অনুসরণ করে আমি এখানে সে-সময়কার রাজনৈতিক পৃষ্ঠভূমির একটি সংক্ষিপ্ত পরিচয় দিচ্ছি। পুষ্পভূতি অথবা বর্ধন বংশের রাজা হর্ষবর্ধন প্রাচীন ভারতের একজন দিগ্বিজয়ী রাজা ছিলেন। তিনি ৪২ বছর পর্যন্ত রাজত্ব করেছিলেন। তার রাজ্যকাল ছিল ৬০৬ থেকে ৬৪৮ খৃষ্টাব্দ পর্যন্ত। তাঁর এই সুদীর্ঘ রাজ্যকাল শান্ত এবং সমৃদ্ধ শাসনের নিদর্শন ছিল। ৬৪৮ খৃষ্টাব্দে হর্ষবর্ধন নিহত হন। সঙ্গে সঙ্গে তাঁর সাম্রাজ্য ছিন্নভিন্ন হয়ে পড়ে এবং দুর্বল হয়ে পড়ে। হর্ষবর্ধনের নিহত হওয়ার পর চীনের রাজদূত তিব্বতী এবং নেপালী সেনা সংগ্রহ করে হর্ষবর্ধনের রাজধানীতে যে আপন অধিকার প্রতিষ্ঠিত করেছিল সেই অর্জুনকে পরাজিত করেন এবং তাঁকে বন্দী করে চীন দেশে নিয়ে যান। একশ বছর পর্যন্ত কান্যকুব্জ সাম্রাজ্যে বিভিন্ন রাজন্যবর্গের মধ্যে পারস্পরিক কলহ চলেছিল এই ইতিহাস আমাদের পুরোপুরি জানা নেই। এক শতাব্দী অতিক্রান্ত হওয়ার পর আমরা ভারতবর্ষে তিনটি মহাশক্তির উদয় দেখি: ১. পূর্বে যশস্বী পালবংশ হর্ষবর্ধনের সাম্রাজ্যের পূর্বাঞ্চলীয় ভূভাগে আপন শাসন স্থাপন করেছিল; .দক্ষিণাপথে রাষ্ট্রকূট শাসন প্রচলিত ছিল এবং ৩. রাজপুতানায় গুর্জর-প্রতিহার রাজবংশীয়রা যমুনা এবং গঙ্গার প্রান্তদেশ পর্যন্ত রাজ্যবিস্তারের চেষ্টা করেছিল।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 1993 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.