টাঙ্গাইলের প্রাচীন কবি টাঙ্গাইলের প্রাচীন কবি (ষোল শতক-আঠারো শতক)

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v39i1.3
Crossmark

Official Crossmark button will be inserted here for this article DOI.

Crossmark Button Area

Authors

  • জামরুল হাসান বেগ University of Dhaka Author

Abstract

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস যখন চণ্ডীদাস-কৃত্তিবাস-মালাধর বসু প্রমুখ পশ্চিম-বঙ্গীয় বাঙালি কবির সাহিত্যসৃষ্টির গৌরবে অভিষিক্ত, সেই সময়ে পূর্ববঙ্গের বিস্তৃত এলাকা (আধুনিক ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল-জামালপুর-কিশোরগঞ্জ অঞ্চল) যে সাহিত্যসৃষ্টির গৌরব থেকে বঞ্চিত ছিল, একথা সত্য নয়। এ-অঞ্চলের মনসামঙ্গলের কবি নারায়ণদেব স্বীয় পাণ্ডিত্য ও কবিত্ব প্রতিভায় সৃষ্ট 'পদ্মাপুরাণ'-এর মাধ্যমে শ্রেষ্ঠত্ব ও সর্বাধিক প্রচারের গৌরবই কেবল অর্জন করেননি, জনপ্রিয়তার বিচারেও এ-অঞ্চলের সাহিত্যরসিক মানুষের অন্তরকে স্পর্শ করতে পেরেছিলেন। তাঁর প্রভাব ও জনপ্রিয়তা পরবর্তী সময়ে অন্যান্য কবিদের অনুপ্রাণিত করেছিল। তবে কেবল নারায়ণদেব একাকী এ অঞ্চলে সাহিত্যসৃষ্টির সামগ্রিক গৌরব নিয়ে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে নিজস্ব আসন সৃষ্টি করেননি। পরবর্তী সময়ে এসেছেন, দ্বিজ বংশীদাস—মনসামঙ্গলের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ;
চন্দ্রাবতী—'রামায়ণ'-এর কবি, যিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের প্রথম মহিলা কবি। এঁরা তিনজনই আধুনিক কিশোরগঞ্জ জেলার অধিবাসী। এখানে স্মরণযোগ্য যে পূর্ববঙ্গের এই অঞ্চলের মধ্যে ভূমি গঠনগত বিচারে জামালপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা ও কিশোরগঞ্জের চেয়ে টাঙ্গাইল জেলা-অঞ্চল প্রাচীনতর। পূর্বকালে টাঙ্গাইল জেলা-অঞ্চল প্রথমে 'সরকার' মাহমুদাবাদ, পরে সরকার বাজুহায় এবং তৎপরে আটিয়া ও কাগমারী—এই দুই পরগনা হিসেবে পরিচিত ছিল। মুঘল শাসক আকবরের শাসনামলে আবুল ফজল রচিত ইতিহাস গ্রন্থ 'আইন-ই-আকবরী' (১৫৮২ খ্রি:) কিংবা টোডরমলের 'ওয়াশিল তুমার জমা' বন্দোবস্ত- কাগজে আটিয়া ও কাগমারীর উল্লেখ থাকলেও, সে উল্লেখ পরগনা হিসেবে নয়। তখনও এ-দুটি অঞ্চল সরকার মাহমুদাবাদের অন্তর্ভুক্ত ছিল। উল্লেখ্য: ‘ওয়াশিল তুমার জমা' বন্দোবস্ত সূত্রে জানা যায়, তখন বাংলাকে উনিশটি 'সরকার'-এ এবং ছয়শ বিরাশিটি 'মহাল'-এ বিভক্ত করা হয়।

Downloads

Download data is not yet available.
cover

Downloads

Published

1995-10-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

টাঙ্গাইলের প্রাচীন কবি টাঙ্গাইলের প্রাচীন কবি (ষোল শতক-আঠারো শতক). (1995). সাহিত্য পত্রিকা, 39(1), 139-223. https://doi.org/10.62328/sp.v39i1.3