মধুসূদন ও পেত্রার্ক
Abstract
বাঙালী পাঠকের নিকট সাধারণত পেত্রার্কের (১৩০৪-৭৪ খ্রী:) নামটি পরিচিত হয়ে ওঠে মধুসূদন ( ১৮২৪-৭৩ খ্রী:), বিশেষত: মধুসূদনের চতুর্দশ পদাবলী সূত্রে। ১৮৬৫ খ্রীষ্টাব্দে মধুসূদন ভার্সাই থেকে এক পত্রে উল্লেখ করেছেন যে তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্ক অনুসরণে সনেট বা চতুর্দশ পদাবলী কবিতা রচনায় প্রবৃত্ত হয়েছেন। ফলে পেত্রার্কের নামটি বাঙালী পাঠকের নিকট পরিচিত হয়ে ওঠে। এবং বাংলা সাহিত্যে মধুসূদন ও পেত্রার্ক, এই দু'টি নাম সমস্বরে উচ্চারিত হয়ে থাকে তবে শুধু সনেটের ক্ষেত্রে নয়, জীবনের প্রতি বীক্ষাতেও পেত্রার্ক মধুসূদনের আদর্শ। পেত্রার্ক শুধু একজন সনেট রচয়িতা বা সনেটের জনক নন, তিনি যুরোপীয় রেনেসাঁসের সারথী। য়ুরোপে 'অন্ধকার যুগ' অতিক্রম করে চৌদ্দ শতকে যে রেনেসাঁস বা নবজাগরণ ঘটে, এর ধারক ও বাহক পেত্রার্ক। আবার উনিশ শতকে বাংলাদেশ ও বাংলা সাহিত্যে যে নবজাগর এল, এর প্রধান নায়ক মধুসূদন।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 2024 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.