পালি ছন্দ

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v41i2.5
Crossmark

Authors

Abstract

পালিভাষা সাহিত্যের ভাষা'। অন্যান্য ভাষার মত এ ভাষাও সূচনালগ্নে কথ্য ভাষারূপে বিকশিত হয়েছিল। পরবর্তীতে পবিত্র ত্রিপিটক তো বটেই, এমনকি ত্রিপিটকের অন্তর্গত বিভিন্ন অট্ঠকথা ও টীকা-টিপ্পনীসহ নানা গ্রন্থ এ ভাষায় লিখিত হয়েছে। যেহেতু এটা বুদ্ধবচন, সেহেতু এ ভাষার মর্যাদা ও গুরুত্ব ছিল অনেক বেশী। বুদ্ধ পরবর্তীকালে এ বিষয়টি আরো গভীরভাবে অনুভূত হয়। তাইতো দু'হাজার বছরেরও অধিক কাল ধরে এ ভাষায় পঠন-পাঠন, চর্চা-অনুশীলন ও পণ্ডিতদের গবেষণা অব্যাহত রয়েছে। এককথায় এ ভাষায় বৌদ্ধ শাস্ত্রীয় অমূল্য গ্রন্থসমূহ সংরক্ষিত রয়েছে, এবং এর সারবত্তা বিভিন্ন ভাবধারায় প্রকাশ পেয়েছেই। বলাবাহুল্য, মহামানব গৌতম বুদ্ধই প্রথমে এভাষার প্রসার সাধন করেন। তাই ত্রিপিটকের অন্তর্গত গ্রন্থগুলোর গুরুত্ব এক্ষেত্রে সর্বাধিক। কারণ বুদ্ধের ধর্ম-দর্শনের পরিব্যাপ্তির ব্যাপকতার জন্যই মূলত পালিভাষা ও সাহিত্য অমরত্ন লাভ করেছে। গৌতম বুদ্ধের আবির্ভাব কাল খ্রি. পূ. ছয় শতকে। তিনি রাজপুত্র ছিলেন। তাঁর পৈত্রিক রাজত্বস্থল ছিল হিমালয়ের পাদদেশস্থ শাক্যরাজ্য। পরিবারে তাঁর নাম ছিল সিদ্ধার্থ-গৌতম। ঊনত্রিশ বছর বয়সে তিনি সংসার ত্যাগ করেন। অভীপ্সা হল নিজের ও সর্বপ্রাণীর দুঃখ মুক্তির পথ অনুসন্ধান করা। এজন্য বহু জনপদ ও অরণ্য পরিভ্রমণ করেছিলেন। দ্বারস্থ হয়েছিলেন স্বনামখ্যাত বহু ঋষি-মনীষীর নিকট। কিন্তু লক্ষ্য অর্জনযোগ্য সদর্থক নির্দেশনা কোথাও পাননি। পরিশেষে আত্মশক্তিতে বলীয়ান হয়ে উরুবেলায় (বর্তমান ভারতের বিহার প্রদেশের গয়া জেলায়) গিয়ে ধ্যানস্থ হলেন। অতঃপর পঁয়ত্রিশ বছর বয়সে তিনি সাধনায় সিদ্ধিলাভ করেন। তখন হতে তিনি পরিচিতি লাভ করেন 'গৌতম বুদ্ধ' নামে।

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.
cover

Published

1998-02-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

পালি ছন্দ . (1998). সাহিত্য পত্রিকা, 41(2), 126-151. https://doi.org/10.62328/sp.v41i2.5

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%