দ্বিজ মাধব সমস্যা
Abstract
মধ্যযুগের তিনটি গুরুত্বপুর্ণ কাব্য চণ্ডীমঙ্গল, গঙ্গামঙ্গল ও শ্রীকৃষ্ণমঙ্গল। ভিন্ন ভিন্ন নামে কাব্যগুলো বিভিন্ন কবি রচনা করেছিলেন। একটি ক্ষেত্রে, তিনটি কাব্যের রচয়িতার নামের মধ্যে অনতিদূর সাদৃশ্য লক্ষণীয়। তখন প্রশ্ন উঠেছে এঁদের সম্পর্ক নিয়ে। আলোচনায় প্রবেশের পূর্বে সমস্যাটিকে বিস্তারিত ভাবে উপস্থাপনা করা যাক।
ক. সারদামঙ্গল/ সারদাচরিত নামের একটি চণ্ডিমঙ্গল কাব্যে ভণিতা রয়েছে মাধব, দ্বিজ মাধু, মাধবানন্দ, দ্বিজ মাধব ও দ্বিজ মাধবানন্দ এই পাঁচ নামে। এখানে লেখক একজন, কিন্তু তাঁর প্রকৃত নাম হিসাবে কোনটি গ্রহণযোগ্য? কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৫ সালে কাব্যটি শ্রীসুধীভূষণ ভট্টাচার্যের ‘মঙ্গলচণ্ডীর গীত' নামে প্রকাশিত হয়েছে।
খ. গঙ্গামঙ্গল নামের একটি কাব্যে ভণিতা রয়েছে মাধব ও দ্বিজ মাধবের। বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে কাব্যটি ১৩২৩ বঙ্গাব্দে আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ কর্তৃক সম্পাদিত হয়ে প্রকাশিত হয়েছে।
গ. ভাগবত পুরাণের দশম স্কন্ধ ও অন্যান্য উৎস থেকে উপকরণ নিয়ে রচিত হয়েছে অনুবাদমূলক ‘শ্রীকৃষ্ণমঙ্গল'। এতে ভণিতা পাওয়া যায় মাধব, দ্বিজ মাধব, শ্রীমাধব ও মাধবাচার্যের। কাব্যটি একাধিকবার সম্পাদিত হয়েছে, তবে কোনটিই সু সম্পাদিত নয়। আমরা ব্যবহার করেছি ১৩১০ বঙ্গাব্দের কলকাতার বঙ্গবাসী সংস্করণ।
ঘ. সতের শতকের কবি কৃষ্ণরাম দাস রায়মঙ্গল কাব্য ধারার প্রথম কবি হিসেবে মাধবাচার্যের নাম করেছেন। কাব্যটি পাওয়া যায়নি। এই মাধবাচার্যের পূর্বের তিনজনের সঙ্গে সম্পর্ক আছে কিনা সে প্রশ্নও উঠেছে।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 2024 সাহিত্য পত্রিকা - Shahitto Potrika | University of Dhaka

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.