আরবি গদ্যশৈলীর বিকাশ (৬১০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত)
Abstract
বিশ্বের সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী প্রাচীন ভাষাসমূহের অন্যতম আরবি। আল্লাহ মানবজীবনের পরিপূর্ণ জীবনবিধান সংবলিত কুরআনুল কারীমকে বিশ্ব মানবতার মুক্তিদূত হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)এর নিকট আরবি ভাষায় নাযিল করেছেন। কুরআনুল কারীমে উল্লেখ রয়েছে, "আমি কুরআনুল কারীমকে আরবি ভাষায় অবতীর্ণ করেছি, যাতে করে তোমরা এর সঠিক মর্ম উপলব্ধি করতে পারো।” আরো ইরশাদ হয়েছে, “আমি কুরআনকে আরবি ভাষায় অবতীর্ণ করেছি, যাতে করে তোমরা তা বুঝতে পার”; হযরত মুহম্মদ (সাঃ)ও আরব দেশে প্রেরিত হন। আল্লাহর রাসুল বলেন, আরবিকে তোমরা তিনটি কারণে ভালবাসবে : যেহেতু আমি আরব, কুরআনের ভাষা আরবি এবং জান্নাতবাসীদের ভাষাও আরবি। কুরআন ও হাদীসের ভাষাশৈলী উৎকৃষ্ট শব্দপ্রয়োগে ও স্বল্প কথায় গভীর তাৎপর্য প্রকাশে হৃদয়গ্রাহী। উপমা ও রূপকসহ বিভিন্ন অলংকারের দক্ষ ব্যবহার গদ্যরীতিকে সমৃদ্ধ, উন্নত, সাবলীল, গ্রহণযোগ্য ও বেগবান করেছে। আরবি সেমিটিক ভাষাসমূহের অন্যতম ভাষা। আরবরা সেমিটিক ভাষা বলতে বনু সামদের ভাষাকে বুঝে থাকে; তাদের মতে, বনুসাম হচ্ছে মেসোপটেমিয়া, আরব উপদ্বীপ ও সিরিয়ার অধিবাসীরা। এই ভূভাগের প্রসিদ্ধ ভাষাগুলোর মধ্যে রয়েছে আরবি, সূরিয়ানী ফিনিশীয়, আশুরী, ব্যবীলীয় ও হাবশী, এ গুলোর মধ্যে আরবি ভাষার স্থানই সর্বোচ্চঃ। অন্য সাহিত্যের ন্যায় আরবি সাহিত্যেরও প্রধান দুটো ধারা হচ্ছে গদ্য ও পদ্য।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 2024 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.