কুমারখালীর শিক্ষিতদের ভাষা
Abstract
বাংলাদেশ আদমশুমারি ১৯৯১, কমিউনিটি সিরিজ, জেলা : কুষ্টিয়া থেকে কুমারখালী সম্বন্ধে যে পরিচয় পাওয়া যায় তা হলো, ১৮২১ খ্রিস্টাব্দ থেকেই কুমারখালী থানা জনসংখ্যার দিক থেকে কুষ্টিয়া জেলার তৃতীয় বৃহত্তম থানা হিসেবে অবস্থান করে আসছে। কুমারখালী থানার নামকরণের ক্ষেত্রে কোন বিষয়টি মূল হিসেবে অবস্থান করছে তা কেউই ঠিক মতো বলতে পারেন না। পূর্বে এ এলাকার নাম ছিল 'তুলশীডাংগা'। মোগল শাসনামলের সময় এই এলাকায় একজন রাজস্ব সংগ্রাহক নিয়োগপ্রাপ্ত হন, যাঁর নাম ছিল 'কামার কুলি'। সাধারণভাবে বিশ্বাস করা হয় যে, কুমারখালী থানা ঐ ব্যক্তির নামানুসারেই পরবর্তীকালে পরিচিতি লাভ করেছে। নদীসহ কুমারখালী থানার আয়তন প্রায় ২৬৫.৮৯ বর্গকিলোমিটার। কুমারখালী থানায় অবস্থিত নদীর আয়তন প্রায় ১১.৯১ বর্গকিলোমিটার। এই থানা ২৩.৪৪ ́ 3 23.58 ́ উত্তর অক্ষাংশের এবং ৮৯.০৯ ও ৮৯.২২′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যে অবস্থিত। কুমারখালী থানার মোট জনসংখ্যা ২.৬৯,০০৮ জন। তার মধ্যে ১,৩৯,২৫৫ জন পুরুষ এবং ১,২৯,৭৫৩ জন মহিলা। কুমারখালীর জনসংখ্যার মধ্যে গ্রামে বাস করে ২,৫৭,৩৩৩ জন। তার মধ্যে পুরুষ ১,৩৩,১৯৩ জন এবং মহিলা ১.২৪,১৪০ জন। শহরে বাস করে ১১,৬৭৫ জন। তার মধ্যে পুরুষ ৬,০৬২ জন। এবং মহিলা ৫.৬১৩ জন । কুমারখালীতে ৭ বছর ও তার উপরের বয়সের মোট জনসংখ্যার মধ্যে শিক্ষিতের হার ২৪.৯%। তার মধ্যে পুরুষ ৩০.৩% এবং মহিলা ১৯.২%। কুমারখালী থানার উত্তরে পাবনা সদর থানা, পূর্বে খোকসা থানা এবং রাজবাড়ি জেলার পাংশা থানা, দক্ষিণে খোকসা থানা এবং ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা থানা এবং পশ্চিমে কুষ্টিয়া সদর থানা অবস্থিত। কুমারখালীর শিক্ষিতদের ভাষা আলোচনা করতে হলে শিক্ষিত বলতে কি বোঝায় তা জেনে নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। স্বাক্ষর এবং নিরক্ষর—এই দুই শ্রেণীর সাথে আমাদের পরিচয় রয়েছে। অক্ষরজ্ঞান সম্পন্ন লোককে স্বাক্ষর এবং অক্ষরজ্ঞানশূন্য লোককে নিরক্ষর বলা হয়ে থাকে।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 2024 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.