শৈবলিনী

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v44i1.1
Crossmark

Authors

Abstract

ভাগীরথীতীরে আম্রকাননে বসিয়া একটি বালক ভাগীরথীর সান্ধ্য জলকল্লোল শ্রবণ করিতেছিল। তাহার পদতলে, নব দুর্বল শয্যায় শয়ন করিয়া, একটি ক্ষুদ্র বালিকা, নীরবে তাহার মুখপানে চাহিয়াছিলচাহিয়া, চাহিয়া, চাহিয়া আকাশ নদী বৃক্ষ দেখিয়া, আবার সেই মুখপানে চাহিয়া রহিল। বালকের নাম প্রতাপ—বালিকার শৈবলিনী। শৈবলিনী তখন আট বৎসরের বালিকা প্রতাপ কিশোর বয়স্ক! এইভাবে বঙ্কিমচন্দ্র তাঁহার চন্দ্রশেখর উপন্যাসের উপক্রমণিকা অংশ আরম্ভ করিয়াছেন। কিশোর প্রতাপ, বালিকা শৈবলিনীতে নানা ছেলেখেলা চলে। শৈবলিনী তাহার মধুর কণ্ঠে পাপিয়ার ডাক অনুকরণ করিয়া ডাঙ্গার কূলের আম্রকানন কম্পিত করিয়া তোলে, প্রতাপ তাহা শুনিয়া মুগ্ধ হয় ৷ বন্য কুসুম চয়ন করিয়া মালা গাঁথিয়া শৈবলিনী খেলার ছলে প্রতাপকে পরায়, মালার বিনিময়ে প্রতাপ পক্ষীশাবক পাড়িয়া আনিয়া বালিকার মনোরঞ্জন করে। সন্ধ্যার কোমল আকাশে তাহারা একসাথে তারা গণনা করে, গঙ্গার স্রোতে ভাসিয়া যাওয়া নৌকা অলস কৌতূহলে দেখিতে দেখিতে সময় কাটাইয়া দেয় । প্রকৃতির কোলে এই ছেলেখেলা হইতেই ভালোবাসা জন্মাল যদি বাধা না পাইয়া এই ভালোবাসা সময়ে বিবাহে পরিণতি লাভ করিত, তবে তাহা সর্ব দিকে সুখের হইত। প্রতাপ শৈবলিনী উভয়ে উভয়কে পাইয়া পৃথিবীতেই স্বর্গ রচনা করিত। কিন্তু চন্দ্রশেখর নামক বেদনার কাব্যখানি সৃষ্টি হইত না। 

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.
cover

Published

2000-10-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

শৈবলিনী . (2000). সাহিত্য পত্রিকা, 44(1), ১-২০. https://doi.org/10.62328/sp.v44i1.1

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%