প্রাচীন ভারতে নারী : বেদে ও মনুসংহিতায়

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v44i2.6
Crossmark

Authors

Abstract

সাহিত্য সমাজজীবনের দর্পণস্বরূপ। এতে প্রতিফলিত হয় সমাজ নাগরিকের হর্ষ-বিষাদ, আনন্দ-বেদনা, সুখ দুঃখের ছন্দপাতনিক নানাবিধ সুর। সাহিত্যিক যেহেতু সমাজের অংশ, সামাজিকের প্রতি তিনি যথেষ্ট অনুভূতিপ্রবণ; সেহেতু তাঁর বিন্যাসকৃত সাহিত্যে সমাজ প্রতিবিম্বিত হওয়াই স্বাভাবিক এবং স্বভাবসংগত । ইতিহাসের সাহায্যে যেমন অতীতের সার্বিক বিষয়াদি পর্যবেক্ষণ, তথা নিরীক্ষণ করা যায়, তেমনি সাহিত্যের মাধ্যমে অবগত হওয়া যায় দূর এবং নিকট অতীতকে। বৈদিক যুগের কালসীমা চিহ্নিত ন্যূনকল্পে সাড়ে চার হাজার বছর পূর্বে। প্রাচীন ভারতের সামগ্রিক চিত্র লাভের একমাত্র আশ্রয় বৈদিক সাহিত্য তথা প্রধানত ঋগবেদ। আর ঋগবেদ হচ্ছে সমগ্র বৈদিক সাহিত্যের মধ্যমণি, প্রাচীন এবং প্রামাণিক গ্রন্থ। এর অসংখ্য সূক্তে কিংবা ঋকে লুকিয়ে আছে তৎকালীন সমাজজীবনের লৌকিক ও পারলৌকিক বিষয়াদির বহুবিধ চিত্র। সমাজের ক্রমবিবর্তন ও ধারাবাহিকতার রূপটি সবিস্ময়ে অবলোকন করা যায় ঋগবেদসহ অন্যান্য বৈদিক সাহিত্যে। এ সমস্ত গ্রন্থপাঠে তদানীন্তন সমাজের আচার-ব্যবহার, রীতি-নীতি, ধর্মীয় বিশ্বাস, নিয়ম-কানুন প্রভৃতি সামগ্রিক পরিস্থিতি সম্বন্ধে যেমন অবহিত হওয়া যায় তেমনি অবগত হওয়া যায় প্রাচীন ভারতে নারীর শিক্ষা, দীক্ষা তথা সামাজিক অবস্থান সম্বন্ধেও। এই নারীকে নিয়ে প্রাচীন ভারতের সমাজ, সাহিত্য, ধর্ম কিভাবে আবর্তিত হয়েছে, সেদিকটি পর্যালোচনা তথা অন্বেষণ করাই বর্তমান প্রবন্ধের উদ্দেশ্য।

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.
cover

Published

2001-02-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

প্রাচীন ভারতে নারী : বেদে ও মনুসংহিতায় . (2001). সাহিত্য পত্রিকা, 44(2), ৯৯-১১৮. https://doi.org/10.62328/sp.v44i2.6

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%