ভাষা ও সমাজ : একটি অখণ্ড সমাজভাষিক অবলোকন

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v44i2.3
Crossmark

Authors

Abstract

যে পরম সম্পদ মানুষের সঙ্গে অন্য সকল প্রাণীর ভেদরূপ সৃষ্টির প্রধান নিয়ামক তা ভাষা। এই ভাষা যে শুধু তাকে অন্য প্রাণী থেকে স্বাতন্ত্র্য দান করেছে তা-ই নয়, এটি তাকে অন্য প্রাণীর ওপরে দুর্লভ শ্রেষ্ঠত্বও দান করেছে। 'ভাষিক বৈশিষ্ট্য' মানুষ অর্জন করেছে ক্রম বিবর্তনের ধারায়, অপর একটি বিশিষ্ট অন্তসত্তা 'মন'-এর উপজাত হিশেবে। ডেভিড ক্রিস্টাল যথার্থই বলেছেন: শব্দ-ক্রম এবং বাক্য-পারম্পর্যের মতো ভাষার যথাযথ বৈশিষ্ট্যসমূহ এমন মাধ্যম সৃষ্টি করে যার মধ্য দিয়ে আমাদের সম্পর্কিত ভাবনাগুলো উপস্থাপিত এবং বিন্যস্ত হয়। ভাষাবিজ্ঞানের কাজ হলো উল্লেখিত 'ভাষিক বৈশিষ্ট্য' অনুসন্ধান করা, তার বিশ্লেষণ-বর্ণনা করা এবং তাকে সূত্রাবদ্ধ পারম্পর্যে উপস্থাপন করা। এই ভাষিক বৈশিষ্ট্যসমূহ প্রায় সর্বত্রই সংগঠন নির্ভর হলেও তা সুদীর্ঘকাল ছিল ভাষা আলোচনায় অনুপস্থিত। ভাষা চর্চার ইতিহাসই তার সাক্ষ্য।

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.
cover

Published

2001-02-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

ভাষা ও সমাজ : একটি অখণ্ড সমাজভাষিক অবলোকন . (2001). সাহিত্য পত্রিকা, 44(2), ৫১-৬৫. https://doi.org/10.62328/sp.v44i2.3

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%