ইসলাম-পূর্বযুগে আরবী গদ্য সাহিত্যের বৈশিষ্ট্য

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v45i1.2
Crossmark

Authors

Abstract

আরবী বিশ্বের একটি প্রাচীন ও কালজয়ী ভাষা। জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক ছয়টি অফিসিয়াল ভাষারও একটি আরবী। বর্তমান বিশ্বের ৩৫০টি ভাষার মধ্যে আরবীর স্থান অনেক ঊর্ধ্বে। বিশ্বের ২২টি দেশে সরকারী ভাষারূপে এটি ব্যবহৃত হচ্ছে, কালের প্রবাহ কখনো এর মৌলিক বৈশিষ্ট্যকে ক্ষুণ্ণ করতে বা অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে পারেনি। এই ভাষায় রয়েছে স্থিতিস্থাপকতা ও গতিশীলতার এক বিস্ময়কর সমাহার। বিশ কোটির অধিক মানুষের নিজভাষা আর শতাধিক কোটি মানুষের ধর্মীয় ভাষারূপে আরবীর স্থান অতুলনীয়। মহাগ্রন্থ আল-কুরআন আরবী ভাষায় নাযিল হওয়ায় এ ভাষার মর্যাদা ও গুরুত্ব আরো বহুগুণে বৃদ্ধি পেয়েছে। আরবী দু'হাজার বছরের প্রাচীন সাহিত্য। অন্য সাহিত্যের ন্যায় আরবী সাহিত্যের প্রধান দু'টি ধারা হলো, গদ্য ও পদ্য। যে-কোন ভাষাতেই গদ্যের জন্ম হয় প্রথমে। দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজন ও মনের ভাব প্রকাশ করার জন্য মানুষ তুচ্ছ ও বৃহৎ ব্যাপারে অবলীলাক্রমে ভাষা ব্যবহার করে থাকে, আর সে ভাষা সাধারণতঃ গদ্যে লিখিত হয়। কেননা গদ্যে ভাবের আদান প্রদান খুব সহজে সাধিত হয়। তবে পৃথিবীর অনেক ভাষার ন্যায় আরবী সাহিত্যেও প্রথমে পদ্যের উন্মেষ ঘটে। তৎকালীন সময়ে লিখে রাখার ব্যবস্থা না থাকার কারণে প্রায়শঃ স্মৃতিশক্তির উপর নির্ভর করতে হতো। আর গদ্যের চেয়ে পদ্যে মুখস্থ করা সহজ ছিল। তাই বলা যায়, আরবী সাহিত্যে গদ্যের আবির্ভাব পদ্যের পরেই ঘটেছে। ইসলাম-পূর্ব যুগে গদ্যের যে সাক্ষাৎ পাওয়া যায়, তা প্রধানতঃ প্রবাদ-প্রবচন, বাগ্মিতা ও অসিয়ত-(অন্তিম উপদেশ) এর মধ্যে সীমাবদ্ধ এছাড়া জ্যোতির্বিদদের ভবিষ্যদ্বাণী, কিছু লোককাহিনী, পুরোহিত ও যাদুকরদের ব্যবহৃত ছন্দোবদ্ধ ভাষাকেও গদ্য সাহিত্যের অন্তর্ভুক্ত মনে করা হয়। 

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.
cover

Published

2001-10-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

ইসলাম-পূর্বযুগে আরবী গদ্য সাহিত্যের বৈশিষ্ট্য . (2001). সাহিত্য পত্রিকা, 45(1), ৬১-৭৪. https://doi.org/10.62328/sp.v45i1.2

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%