বাঙালা লিপির উৎস চরিত্র ও প্রাচীনত্ব নির্ণয়ে তন্ত্র-সাহিত্য

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v45i1.1
Crossmark

Authors

Abstract

প্রথমেই বলা আবশ্যক যে-সব লিপি-বিশারদ 'বাঙালা'-লিপির উৎস নির্ণয়ে সচেষ্ট হ'য়েছেন, তাঁরা কেউ-ই এই লিপি নামটির আদি রূপ এবং পরবর্তী ধারাবাহিক নামোল্লেখ, পুঁথি-পত্রের কোথায় কিভাবে পাওয়া যায়, তা সন্ধান করেননি। অথচ তা অনুসন্ধান করা একান্ত আবশ্যক। এ কারণে সবার আগে 'বাঙালা' লিপি নামক কোন লিপির উল্লেখ সাংখ্যযোগী-তান্ত্রিকদের কিংবা অন্য কোন 'বাঙালা ' ভাষী ধর্ম-সম্প্রদায়ের 'বাঙালা বা সংস্কৃত' রচনায় মেলে কিনা—তা দেখা হবে। আলোচ্য বিষয়ে যতটা অনুসন্ধান করা সম্ভব হয়েছে, তা থেকে দেখা যায়, 'বাঙালা' লিপি, 'বাংলা' লিপি বা 'বঙ্গ' লিপি শব্দগুলো নেহাৎ-ই আধুনিক। দু'শ বছর আগেও এসব শব্দ কোন অমুসলিম কবি-লেখকের রচনায় কিংবা শিলালিপি-তাম্রলেখাদিতে ব্যবহৃত হয়নি। অর্থাৎ ১৮০০ খৃষ্টাব্দের পূর্ববর্তী কোন অমুসলিম-ই উক্ত লিপি-নামের কোনটি, কখনও ব্যবহার ক'রেছেন কিনা সন্দেহ। তবে “বঙ্গের লিপিকথাটি বহু প্রাচীন। তার নজীর “ললিত বিস্তর-'এ লাভ করা যায়। গ্রন্থটি সংস্কৃত ভাষায় দেব নাগরী অক্ষরে লিখিত।” বিদ্বানদের মতে এটি খৃষ্টীয় দ্বিতীয় শতকের রচনা। গৌতম বুদ্ধের জীবন-কথা ভিত্তিক এই 'জাতক' গ্রন্থটিতে বুদ্ধদেবের শৈশবকালের শিক্ষালাভের কাহিনী বর্ণনা ক'রতে গিয়ে চৌষট্টিটি লিপির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ঐ বিবরণের তৃতীয় নামটি 'বঙ্গলিপি'। হিউয়েন সাং-এর মতে গৌতম বুদ্ধের জন্ম ৮৫০ খৃষ্ট পূর্বাব্দে। তাহলে খৃষ্ট জন্মের প্রায় এক হাজার বছর আগেও “বঙ্গলিপি”র অস্তিত্ব ছিল বলে স্বীকার না করে উপায় নেই।

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.
cover

Published

2001-10-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

বাঙালা লিপির উৎস চরিত্র ও প্রাচীনত্ব নির্ণয়ে তন্ত্র-সাহিত্য . (2001). সাহিত্য পত্রিকা, 45(1), ৫-৬০. https://doi.org/10.62328/sp.v45i1.1

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%