কাব্যচর্চায় ইসলামী দৃষ্টিকোণ

DOI: https://doi.org/10.62328/sp.v45i3.5
Crossmark

Authors

Abstract

কবিতা সাহিত্যের একটি অন্যতম প্রধান শাখা। প্রাচীনকালে কবিতার মাধ্যমে মানুষেরা বিভিন্ন সমাজের চিত্র তুলে ধরার প্রয়াস পেত। আরব সমাজে এর ব্যতিক্রম ঘটে নি। মহানবীর (স) আবির্ভাবের প্রাক্কালে আরবী কাব্যসাহিত্যের চরম উৎকর্ষ সাধিত হয়েছিল। তখনকার আরবের ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, গোত্রীয়, জাতীয় তথা সমাজ জীবনের সকল দিকই তাদের কবিতার মধ্যে চিত্রিত হত। এ কারণেই রাঈসুল মুফাসসিরীন হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) বলেছেন- all leaf (Poetry is the public register of the Arab)' তখন আরবরা কেবল কাব্যচর্চায় ক্ষান্ত ছিল না। তারা কাব্যচর্চার আসর বসিয়ে প্রতিযোগিতায় পরস্পরকে হার মানাতে চেষ্টা করত। আরবদের সেই অপ্রতিদ্বন্দ্বী কাব্য প্রতিভার কথা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছিল। ফলে কবিতা তাদের গর্বের বস্তু এবং মর্যাদার মাফকাঠিতে পরিণত হয়। এহেন মুহূর্তে আল্লাহ তা'আলা মহানবী (স)-কে মুজিযা স্বরূপ আল-কুরআন দান করেন। কুরআন নাযিলের সাথে সাথে তাদের গর্বের মূলে কুঠারাঘাত হানে। কুরআনের ভাব ও ভাষা-মাধুর্য আরবের কবি গোষ্ঠীকে থমকে দেয়। প্রথম পর্যায়ে তারা কুরআনের বাণীকে কবিতা এবং মহানবী (স)-কে কবি বলে আখ্যায়িত করে। এ পবিত্র কুরআনে সে কথা আল্লাহ উল্লেখ করেছেন “তারা বলে, (এগুলো মুহাম্মদ (স)-এর অলীক স্বপ্ন, বরং সে এটা নিজে রচনা করেছে এবং সে একজন কবি।” “তারা বলে, আমরা কি একজন পাগল কবির কথায় আমাদের উপাস্যদেরকে পরিত্যাগ করব?” তাদের এ ধরনের অবান্তর দাবির তীব্র প্রতিবাদ স্বরূপ আল্লাহ তাআলা কয়েকটি আয়াত নাযিল করেছেন এবং তাতে কুরআন মানব রচিত গ্রন্থ হলে তার সমকক্ষ রচনা করে দেখানোর জন্য তাদের প্রতি চ্যালেঞ্জ ঘোষণা করলেন “এটা (কুরআন) নয় কোন কবির কথা, তোমরা খুব কমই বিশ্বাস কর। নয় এটা কোন গণকের কথা, তোমরা খুব কমই উপদেশ গ্রহণ কর।”

উপরের যেকোনো বিকল্প বেছে নিন

Downloads

Downloads

Download data is not yet available.
cover

Published

2002-06-01

এই জার্নাল উদ্ধৃতির নিয়ম

কাব্যচর্চায় ইসলামী দৃষ্টিকোণ . (2002). সাহিত্য পত্রিকা, 45(3), ১০২-১২৫. https://doi.org/10.62328/sp.v45i3.5

একই বিষয়ের আরও নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…

এই লেখকের অন্যান্য নিবন্ধ

লোড হচ্ছে…
এখন শুনছেন প্রবন্ধের শিরোনাম...
0%