কমলকুমার মজুমদারের 'জল' ও 'তেইশ'-এর সমাজবাস্তবতার স্বরূপ
Abstract
কমলকুমার মজুমদারের (১৯১০-১৯৭৯) সর্বমোট গল্পের সংখ্যা ত্রিশ : এর মধ্যে একটি অসমাপ্ত। এই স্বল্প সংখ্যক গল্প নিয়েই তিনি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম আলোচিত গল্পকার।১ মূলত তাঁর গল্পের প্রকরণ-কৌশল ও ভাষারীতিই বোদ্ধা পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষক কেন্দ্র ও বিতর্কের উৎস । শব্দ-সচেতন অনুশীলন, পাঠকের বোধের প্রতি বিশ্বাস ও ধ্রুপদী মগ্নতা নিয়ে সৃষ্ট হয়েছে তাঁর গল্পভুবন। উনিশ শতকীয় ও উপনিবেশক নিয়ন্ত্রিত নবজাগরণস্পর্শী গদ্যের আধুনিকতা নিয়ে তাঁর বিতৃষ্ণা অস্পষ্ট নয়। তাঁর আগ্রহ ঐতিহ্য-উদ্ভূত বাংলা গদ্যের প্রতি। তবে আধুনিকতার এই অসংগতি মোচনের জন্য ভিন্ন-প্রান্তিক দুরূহ-প্রায় প্রয়াস অনন্য হলেও তার সার্থকতা প্রশ্ন সাপেক্ষ। তাঁর গল্পের ভাষা-বিতর্ক সমালোচকদের আকৃষ্ট করেছে সত্য; তবু বিষয়-বৈশিষ্ট্যে 'জল', 'তেইশ', 'মল্লিকাবাহার', ‘মতিলাল পাদরি’, ‘তাহাদের কথা', 'নিম অন্নপূর্ণা', 'কয়েদখানা' প্রভৃতি গল্প বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সৃষ্টিসম্পদ। কমলকুমার মজুমদারের 'জল' ও 'তেইশ' গল্পে বিধৃত সমাজমনস্তত্ত্বের আলোচনা হওয়া বাঞ্ছনীয় ।
Downloads
Downloads
Published
Issue
Section
License
Copyright (c) 2003 সাহিত্য পত্রিকা

This work is licensed under a Creative Commons Attribution-NonCommercial-NoDerivatives 4.0 International License.